• বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭
ads
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গণপরিবহনে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

যোগাযোগ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গণপরিবহনে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

  • খায়রুল আহসান মানিক, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৩ জুলাই ২০২০

সরকার স্বাস্থ্য বিধি মেনে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দিলেও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলরত যাত্রীবাহী বাসে মানা হচ্ছে না কোনো প্রকার স্বাস্থ্য বিধি।

যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ ভাড়া নেওয়ায় প্রতি দুই সিটে একজন যাত্রী নিলেও বাসে যাত্রী উঠানোর সময় দেওয়া হচ্ছে না হ্যান্ড স্যানিটাইজার। এতে যাত্রীরা করোনা ভাইরাসে সংক্রামিত হওয়ার প্রবল ঝুঁকিতে রয়েছে।

সরেজমিনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা-মাধাইয়া সহ কয়েকটি বাস স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, বাসের হেলপাররা যাত্রী উঠানোর জন্য ভাড়া নিয়ে দর কষাকষি করেই যাত্রীদের গাড়িতে তুলছে। যাত্রীদের হাতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেওয়া থাক দূরের কথা বাস হেলপাররা যাত্রীদের হাতে ধরে টেনে গাড়িতে তুলছেন। বাসের অধিকাংশ যাত্রীদের মুখেই মাস্ক নেই। চালক ও হেলপারদের মুখে মাস্ক থাকলেও তা মুখের পরিবর্তে থুতনি বা গলায় সাথেই বেশি দেখা গেছে।

কথা হয় ঢাকাগামী যাত্রীসেবা বাসের যাত্রী মিজানুর রহমান এর সাথে। তিনি জানান, আমি ক্যান্টনমেন্ট থেকে ২০০ টাকা ভাড়ায় বাসে উঠেছি। বাসে উঠার আগে কোন রকম স্প্রে ছিটাতে দেখিনি।

পাপিয়া ট্রান্সপোর্টের যাত্রী ইকবাল হোসেন জানান, আমি কুমিল্লা থেকে ইলিয়টগঞ্জ যাওয়ার জন্য শাসনগাছা থেকে ৮০ টাকা ভাড়া দিয়ে গাড়িতে উঠেছি। শাসনগাছা বাস স্ট্যান্ড থেকে মাধাইয়া পর্যন্ত কোন যাত্রীর হাতে হেন্ড স্যানিটাইজার দিতে বা সিটে জীবানুনাশক স্প্রে করতে দেখিনি। এমনকি যাত্রীদের মুখে মাস্ক নেই তাও তাদেরকে টেনে গাড়িতে তুলছেন তারা।

এদিকে, একাধিক গাড়ি চালক ও হেলপারদের সাথে কথা বললে তারা গাড়িতে থাকা স্প্রে এর বোতল দেখিয়ে বলেন, ‘এই তো আমাদের স্প্রে আছে’। সিটে দিয়েছেন কিনা? এমন প্রশ্নে কেউ বা এড়িয়ে যান আবার কেউবা বলেন স্ট্যান্ড থেকে যাত্রী উঠানোর আগেই ছিঁটিয়েছি। যাত্রীদের হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেওয়া হয়েছি কিনা? এমন প্রশ্নে গাড়ি চালকরা হেলপারদের দায়ী করেন।

এ ব্যাপারে চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মো. আবুল ফয়সল জানান- অধিকাংশ গণপরিবহনে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্য বিধি। মহাসড়কটি যেহেতু হাইওয়ে পুলিশের অধীনে আমাদের তেমন কিছু করার সুযোগ নেই।

এ ব্যাপারে হাইওয়ে পুলিশ ময়নামতি ক্রসিং থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মো. সাফায়াত হোসেন জানান- আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিধি অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ার সুনির্দিষ্ট কোন ক্ষমতা আমাদের কাছে নেই। মহাসড়কে যদি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা বৃদ্ধি করা হয় তাহলে কিছুটা হলেও স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য হয়ে সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads