• বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads

প্রতীকি ছবি

অপরাধ

এবার চলন্ত বাসে পোশাককর্মী গণধর্ষণ, আটক ৫

  • ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১০ এপ্রিল ২০১৮

এবার ঢাকার ধামরাই উপজেলায় চলন্ত বাসে এক পোশাককর্মীকে গণধর্ষণের অভিযোগে বাসটির চালকসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, রোববার রাতের এই ঘটনার পর বাসটিও জব্দ করা হয়েছে।

আটকরা হলো- বাসচালক চুয়াডাঙ্গা সদর থানার কোর্টপাড়া মহল্লার মৃত শফি মল্লিকের ছেলে বাবু মল্লিক (২৪), নীলফামারীর ডিমলা থানার সরকারপাড়া গ্রামের মহন লালের ছেলে বলরাম (২০), ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানার মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে আবদুল আজিজ (৩০), ধামরাই থানার দক্ষিণ গাওয়াইল গ্রামের কালু বেপারির ছেলে মো. সোহেল (২০) ও দক্ষিণ কেলিয়া গ্রামের রাজু মাতবরের ছেলে মকবুল হোসেন (৩৮)।

ধামরাই থানার এসআই মলয় সাহা জানান, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের কেলিয়া ব্রিজের পূর্বপাশ থেকে রোববার গভীর রাতে তাদের আটক করা হয়। ওই নারীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ধামরাই থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। 

এর আগে বছরের ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে বহুজাতিক কোম্পানির কর্মী রূপা খাতুন চলন্ত বাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। দুর্বৃত্তরা তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে টাঙ্গাইলের মধুপুর বন এলাকায় ফেলে যায়। এ ঘটনায় করা মামলার রায়ে আদালত বাসটির চালক হাবিবুর (৪৫), চালকের সহকারী শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (১৯) ফাঁসির আদেশ দেন। বাসের সুপারভাইজার সফর আলীকে (৫৫) দেন সাত বছরের কারাদণ্ড।

পুলিশ কর্মকর্তা মলয় জানান, শ্রীরামপুর গ্রাফিকস টেক্সটাইল কারখানার এক নারী অপারেটর রাত ৯টার দিকে অফিস শেষে ভাড়াবাসা ধামরাইয়ের ইসলামপুরে ফিরতে কারখানার সামনে থেকে ঢাকাগামী যাত্রীসেবা পরিবহনের একটি বাসে (ঢাকা মেট্রো-জ-১৪-০৮১৫) ওঠেন। বাসটি কালামপুর পৌঁছলে অন্য যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়। পরে বাসটি ঢাকার দিকে না গিয়ে এদিক-ওদিক ঘুরতে থাকে। কেলিয়া এলাকা থেকে তারা তিনজনকে ওঠায়। একপর্যায়ে বাসের দরজা বন্ধ করে তারা তাকে পেছন দিকে নিয়ে তার হাত, মুখ ও পা বেঁধে ফেলে। পরে বাসটি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের কেলিয়া ব্রিজের পশ্চিম পাশে নিয়ে তারা তাকে ধর্ষণ করে। এরপর তারা বাসটি নিয়ে ইসলামপুর রওনা দেয়। এ সময় হঠাৎ মুখের বাঁধন খুলে গেলে চিৎকার শুরু করেন ওই নারী। টহল পুলিশ চিৎকার শুনে ধাওয়া দিয়ে কেলিয়া ব্রিজের পূর্ব পাশ থেকে বাসসহ তাদের আটক করে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads