• শনিবার, ২৫ মে ২০১৯, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
ads

ব্যায়ামাগার খুলতে দেরি হওয়া নিয়ে বচসায় খুন হন আরাফাত

প্রতীকী ছবি

অপরাধ

ব্যায়ামাগার খুলতে দেরি হওয়া নিয়ে বচসায় খুন হন আরাফাত

  • চট্টগ্রাম ব্যুরো
  • প্রকাশিত ২৭ মে ২০১৮

ব্যায়ামাগার খুলতে দেরি হওয়ায় আগের দিন কথা কাটাকাটি হয়েছিল আরমানের সঙ্গে আরাফাতের। এর জের ধরেই পরিকল্পনা অনুযায়ী পরদিন আরমানও তার সহযোগীরা ছুরিকাঘাত করে আরাফাতকে। এতে আরাফাতের মৃত্যু হয়। চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানার মোহরা কামাল বাজার এলাকায় খুন হওয়া মো. আরাফাত (২০) হত্যা মামলার প্রধান আসামি আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবাবন্দিতে এসব কথা বলেন। শনিবার ভোরে কালুরঘাট সেতু এলাকা থেকে আরমানকে গ্রেফতার করার পর বিকালে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আল ইমরান খানের আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও চান্দগাঁও থানার এসআই আমির হোসেন জানান, শনিবার ভোররাতে আরমানকে কালুরঘাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। বিকালে সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আরমান জানিয়েছে, নিহত আরাফাত কামাল বাজারে পপুলার জিম নামে একটি ব্যায়ামাগারে শরীরচর্চা করতেন। ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ছিলেন আরমান। গত ২০ মে আরমান প্রতিষ্ঠানটি দেরিতে খোলায় শরীরচর্চা করতে গিয়ে আরাফাতকে বাইরে অপেক্ষা করতে হয়। আরমান আসার পর দেরি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর ২১ মে রাত ৮টার দিকে আরাফাত শরীরচর্চা করতে ব্যায়ামাগারের দিকে যাওয়ার পথে কবির টাওয়ারের সামনে আরমান ও তার সহযোগীরা আরাফাতকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। ওই রাতেই তার মৃত্যু হয়।

প্রসঙ্গত, নিহত আরাফাত চান্দগাঁও থানার মোহরা ইস্পাহানি জেটি রোডের কামাল বাড়ির মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে। তিনি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান একে খান গ্রুপে কাজ করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরাফাতের মা গুলজার বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। প্রধান আসামি করা হয় আরমানকে (১৮)। এ মামলার অন্য দুই আসামি নূর হোসেন বাপ্পী (২০) ও মো. আসিফকেও (১৮)গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাপ্পীও ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads