• শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
আমি নিজ হাতে প্রবীরকে খুন করে লাশ ৭ টুকরা করি

নারায়ণগঞ্জের স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রবীর ঘোষকে হত্যার কথা জানিয়েছে তারই ঘনিষ্ঠ বন্ধু পিন্টু দেবনাথ

সংরক্ষিত ছবি

অপরাধ

আদালতকে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর বন্ধু

আমি নিজ হাতে প্রবীরকে খুন করে লাশ ৭ টুকরা করি

  • নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৫ জুলাই ২০১৮

অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার ও দোকান আত্মসাতের লোভ সামাল দিতে না পেরেই নারায়ণগঞ্জের স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রবীর ঘোষকে হত্যার কথা জানিয়েছে তারই ঘনিষ্ঠ বন্ধু পিন্টু দেবনাথ। গতকাল শনিবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে পিন্টু জানায় সে নিজেই তার ফ্ল্যাট বাসায় প্রবীরকে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ ৭ টুকরা করে। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম  স্বীকারোক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ৯ জুলাই রাতে শহরের আমলাপাড়া এলাকার রাশেদুল ইসলাম ঠাণ্ডু মিয়ার ভবনের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে ৫ টুকরা ও পরদিন পাশের একটি গলি থেকে আরো দুই টুকরা খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ৯ জুলাই সকালে পিন্টু দেবনাথকে আটকের পরই সে জিজ্ঞাসাবাদে লাশের সন্ধান দেয়।

ডিবি কর্মকর্তারা জানান, পিন্টু আরো জানিয়েছে, একজন কর্মচারী থেকে পিন্টুর দোকানের মালিক বনে যাওয়ার বিষয়টি প্রবীর মেনে নিতে পারত না। সম্প্রতি প্রবীর পিন্টুকে নারী ও পুলিশ দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দেয়। এতে তার মনের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।

হত্যাকাণ্ডের বিবরণীতে পিন্টু জানিয়েছে, কালীরবাজারের একটি দোকান থেকে চাপাতি কেনার পর পাশের একটি কামারের দোকানে গিয়ে ওই চাপাতি শান করায়। পরে ৭টি সিমেন্টের ব্যাগ কেনে। এরপর ১৮ জুন রাত ৯টার দিকে মদের পার্টির কথা বলে প্রবীরকে বাসা থেকে নিজের ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে যায় সে। প্রবীর বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখছিল। ঠিক সে সময় প্রবীরকে কুপিয়ে জখমের পরে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করা হয়।

উল্লেখ্য, নিখোঁজের ২১ দিন পর ৯ জুলাই রাত ১১টায় শহরের আমলাপাড়া এলাকার রাশেদুল ইসলাম ঠাণ্ডু মিয়ার চারতলা ভবনের নিচে সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে প্রবীরের খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads