• শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
তিন জেলায় 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ৪

দেশের তিন জেলায় 'বন্দুকযুদ্ধে' চারজন নিহত হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

অপরাধ

তিন জেলায় 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ৪

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ২৭ জুলাই ২০১৮

দেশের তিন জেলায় 'বন্দুকযুদ্ধে' চারজন নিহত হয়েছেন।এর মধ্যে কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুইজন ও রাজবাড়ীতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আর র‍্যাবের সঙ্গে ‌'বন্দুকযুদ্ধে' সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় নিহত হয়েছেন আরো একজন।

আমাদের জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

কুমিল্লা

কুমিল্লার তিতাসে গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' ডাকাতি মামলার দুই আসামির নিহত হয়েছে।  বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে তিতাসের বাতাকান্দি নারাকান্দিয়া কবরস্থানের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- কুমিল্লার তিতাস থানাধীন উত্তর মানিকনগরের আল-আমিন ওরফে কাউছার (৩০) এবং বুড়িচং থানার কংশনগর চরেরপাড় এলাকার এরশাদ (৩২)।

এর মধ্যে এরশাদের বিরুদ্ধে নয়টি এবং কাউছারের বিরুদ্ধে পাঁচটি ডাকাতির মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই শাহ কামাল আখন্দ বলেন, ১২/১৩ জন সশস্ত্র ডাকাত নারান্দিয়া কবরস্থানের কাছে অবস্থান নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে-  এমন খবর পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি নাসির উদ্দিন মৃধার নেতৃত্বে একটি দল ওই এলাকায় অভিযানে যায়। পুলিশ সদস্যরা  কবরস্থানের সামনে পৌঁছালে ডাকাতরা এলোপাতাড়ি ঢিল ছুড়তে শুরু করে। পুলিশও তখন পাল্টা গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে ডাকাত দল গুলি করতে করতে পালাতে থাকলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে পাঁচ ডাকাতকে আটক করে। আর  দুইজনকে মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। গুলিবিদ্ধ দুজনকে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গ্রেফতার পাঁচজন হলেন- কুমিল্লার শহরের ভাটপাড়ার মো. আওরঙ্গজেব (৫০), মনোহরগঞ্জের মো. মিলন (৩৫), কাজী পাড়ার নাছির (২৭), তিতাস থানার রায়পুরের শরীফুল ইসলাম এবং মুরাদনগর থানার ছালিয়াকান্দির আবু মিয়া।

এসআই শাহ কামাল বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুটি এলজি ও চার রাউন্ড গুলিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এ অভিযানে চার পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন।

রাজবাড়ী

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় পুলিশের 'বন্দুকযুদ্ধে' লালন হালদার (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে পাংশার স্লুইসগেইট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত লালন পাবনার সুজানগর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের জীতেন হালদারের ছেলে।

পুলিশ জানিয়েছে, লালন হায়দার পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (লাল পতাকা-জুলহাস) দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে পাংশা থানায় হত্যাসহ চারট মামলা রয়েছে।

পাংশা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফজলুল করিম বলেন, স্লুইসগেইট এলাকায় সন্ত্রাসীদের অবস্থানের খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার জন্য পুলিশ তখন পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলি থামার পর সেখানে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় লালনকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। লালনকে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি একনালা বন্দুক, একটি ওয়ান শুটারগান এবং ছয় রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়ায় র‍্যা্বের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হযরত আলী (৪২) নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উল্লাপাড়া উপজেলার পাইকপাড়ার শ্মশানঘাট এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

র‍্যাব-১২ এর স্পেশাল কোম্পানি সিরাজগঞ্জ ক্যাম্পের কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাকিবুল ইসলাম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads