• রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
হবিগঞ্জের ২ আসামির রায় যেকোনো দিন

মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইবুনাল

সংরক্ষিত ছবি

অপরাধ

মানবতাবিরোধী অপরাধ

হবিগঞ্জের ২ আসামির রায় যেকোনো দিন

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৭ আগস্ট ২০১৮

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় হবিগঞ্জের দুই আসামির রায় হতে পারে যেকোনো দিন। আাাসামিরা হলেন- হবিগঞ্জের লাখাই থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো. লিয়াকত আলী ও কিশোরগঞ্জের আমিনুল ইসলাম। তারা পলাতক। দুই পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার মামলার রায় অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সিএভির এ আদেশ দেন।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত ও প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী গাজী এমএইচ তামিম।

পরে প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন বলেন, দুই আসামির সর্বোচ্চ সাজার আরজি পেশ করেছে প্রসিকিউশন। ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণা অপেক্ষমাণ রেখেছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় অপহরণ, নির্যাতন, লুট, হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সাত ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

২০১৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেয় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এতে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাশাপাশি তিন থানা হবিগঞ্জ জেলার লাখাই, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর ও কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে ব্যাপক নির্যাতন চালান আসামিরা। ২০১৬ সালের ১ নভেম্বর তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয় ট্রাইব্যুনালে। ওই বছরের ৪ ডিসেম্বর শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। গতকাল যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য সিএভি রাখা হলো।

লিয়াকত আলী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুসলিম লীগের কর্মী ছিলেন। আমিনুল ইসলাম ওরফে রজব ছিলেন ছাত্রসংঘের সদস্য। পরে লিয়াকত আলী আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ২০০৩ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত লিয়াকত আলী লাখাই থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। সভাপতি থাকা অবস্থাতেই যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ২০১০ সালে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। দুই আসামিই পলাতক। ২০১৬ সালের ১৮ মে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।

 

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads