• বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৫
ads
এডিএম এনামুলের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ

ছবি : সংগৃহীত

অপরাধ

নুসরাত হত্যা

এডিএম এনামুলের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৬ জুলাই ২০১৯

ফেনীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ড ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগের ঘটনায় গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান এবং ফেনীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পি কে এনামুল করিমের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল সোমবার জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে গতকাল বিচারতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালত জনপ্রশাসন সচিব ও শিক্ষা সচিবকে তদন্ত করে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন। আদালতে এদিন শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আবদুল্লাহ আল বাশার।

রিটের বিবাদীরা হলেন জনপ্রশাসন সচিব, শিক্ষা সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ফেনীর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সোনাগাজী থানার ওসি। দৈনিক সমকালে গত ২১ জুন ‘এডিএম এনামুলের ভূমিকা, পুলিশের তদন্তের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন মন্ত্রণালয়ের’ শীর্ষক প্রতিবেদন যুক্ত করে এ রিট করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নুসরাত হত্যা ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পি কে এনামুল করিমের ভূমিকা পুলিশ সদর দপ্তরের তদন্তের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ ব্যাপারে পুলিশের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, পুলিশ সদর দপ্তরের গঠিত তদন্ত কমিটি, তার কার্যপরিধি ও তদন্ত কমিটি এডিএমের ব্যাপারে তদন্ত করেছে কি না, করে থাকলে কোন এখতিয়ারবলে করেছে, তা স্পষ্ট করতে হবে।

চিঠিতে সই করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব মল্লিকা খাতুন। চিঠির বিষয়বস্তু হিসেবে লেখা হয়, সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পি কে এনামুল করিমের দায়িত্বে অবহেলার ব্যাপারে বিশেষ প্রতিবেদন। পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, নুসরাতের ঘটনায় কোনো ব্যক্তিকে টার্গেট করে তদন্ত হয়নি। এ ঘটনায় প্রশাসনিকভাবে যারা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেননি, তা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়। যারা এ ঘটনায় গাফিলতি করেছিল নুসরাতের পরিবারের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তাদের ব্যাপারে তথ্য উঠে আসে।

এদিকে নুসরাতের ঘটনায় সদর দপ্তরেরই এক ডিআইজিকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল পুলিশ সদর দপ্তর। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ফেনীর এসপি, সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি, দুই এসআইয়ের দায়িত্বে অবহেলা ও গাফিলতির বিষয় উঠে আসে। তদন্ত কমিটি চারজনের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশও করে। এ ছাড়া ফেনীর তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) ও সোনাগাজী ফাজিল মাদরাসার গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি পি কে এনামুল কবিরের দায়িত্বে অবহেলা ও গাফিলতির সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। অভিযোগ উঠেছে, শুরু থেকেই এসপি-এডিএম এবং ওসিসহ স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ার অপচেষ্টা চালান।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads