• মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫
ads
সপ্তাহব্যাপী রজতজয়ন্তী উদযাপন করবে বিএসইসি

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের লোগো

সংগৃহীত ছবি

অর্থ ও বাণিজ্য

সপ্তাহব্যাপী রজতজয়ন্তী উদযাপন করবে বিএসইসি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে ২৫ বছর পার করল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ উপলক্ষে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে সপ্তাহব্যাপী রজতজয়ন্তী উদযাপন করবে বিএসইসি। প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। গতকাল বিএসইসিতে রজতজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ।

রাজধানীর আগারগাঁও সিকিউরিটিজ কমিশন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান ও আনোয়ারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। কমিশনের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান রজতজয়ন্তী উপলক্ষে নেওয়া বিএসইসির কর্মসূচির নানা দিক তুলে ধরেন।

এ বিষয়ে গতকালের সংবাদ সম্মেলনে নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ বলেন, প্রতিষ্ঠার পর অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে বিএসইসিকে। এর মধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জ অটোমেশনের আওতায় আনা চ্যালেঞ্জ ছিল, যা পরবর্তী সময়ে সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সিডিবিএল প্রতিষ্ঠা, স্টক এক্সচেঞ্জ বিন্যস্তকরণ, করপোরেট গভর্নেন্স কোড, স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানায় কৌশলগত বিনিয়োগকারী যুক্ত করাসহ অনেক ক্ষেত্রেই বিএসইসির সাফল্য রয়েছে। নজরদারি ব্যবস্থাও আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। কারসাজির শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। ফৌজদারি অপরাধের জন্য আলাদা ট্রাইব্যুনাল রয়েছে।

সাইফুর রহমান জানান, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেইমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রজতজয়ন্তী কার্যক্রম শুরু হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন, স্টক এক্সচেঞ্জ, সিডিবিএল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান, সরকারের শীর্ষ কর্তা, মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। পাঁচ দিনব্যাপী কর্মসূচিতে সেমিনার, আলোচনা সভা, পুনর্মিলনী, করপোরেট গভর্নেন্স বিষয়ক সেমিনার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন ১৯৯৩-এর মধ্য দিয়ে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) যাত্রা শুরু করে। পরবর্তী সময়ে ২০১২ সালে এর নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। এসইসির প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান ছিলেন সুলতানুজ্জামান খান। প্রতিষ্ঠার পর থেকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে দুটি বড় ধরনের ধসের মোকাবেলা করতে হয়েছে। কারসাজি, বাজারের পতনরোধে ব্যর্থতাসহ নানামুখী সমালোচনার সত্ত্বেও কিছু সাফল্যও রয়েছে এ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির।

১৯৯৩ সালের ৮ জুন এসইসি প্রতিষ্ঠিত হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু হয় একই বছরের ১৪ নভেম্বর। সে সময় তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ ছিল ১৫১টি, যার মধ্যে কোম্পানি ছিল ১৪১টি। এ ছাড়া মিউচুয়াল ফান্ড ৬টি ও ডিবেঞ্চার ছিল ৪টি। সে সময় মোট বাজার মূলধন ছিল ১ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা। আর চলতি বছরের ৯ সেপ্টেম্বর তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৭৪টি, যার মধ্যে কোম্পানি ৩০৭টি। এ ছাড়া করপোরেট বন্ড ১টি, মিউচুয়াল ফান্ড ৩৭টি ও ট্রেজারি বন্ড ২২১টি। এদিকে ৮টি ডিবেঞ্চার দেখানো হলেও এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তা লেনদেন হয় না। ৯ সেপ্টেম্বর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৬২৭ কোটি টাকা, যা প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের তুলনায় ২২৮ গুণ বেশি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads