• মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯, ১২ চৈত্র ১৪২৪
ads
ঋণ খেলাপিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় এফবিসিসিআই

সংগৃহীত ছবি

অর্থ ও বাণিজ্য

ঋণ খেলাপিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় এফবিসিসিআই

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

অবৈধ পন্থায় ব্যাংকের টাকা লুটপাট করা ঋণখেলাপিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই)।
আজ রোববার ঢাকা ক্লাবে এফবিসিসিআই আয়োজিত আলোচনা সভায় সংগঠনের সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন এমন দাবি জানান।

আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপলক্ষে এফবিসিসিআই সদস্য অ্যাসোসিয়েশন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এফবিসিসিআই জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শেখ ফজলে ফাহিমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন এসোসিয়েশনের সভাপতিবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

এফবিসিআই সভাপতি বলেন, ‘আমরা যথেষ্ট সোচ্চারভাবে বলতে চেয়েছি দুই ধরনের খেলাপি ঋণ আছে। একটি হলো-যারা অবৈধ পন্থায় ব্যাংকের টাকা লুটপাট করেছেন,আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তবে যারা ব্যবসা করতে গিয়ে লোকসান করেছেন তাদের ক্ষেত্রে শিথিল করা যেতে পারে।’

৫০০ কোটি টাকার ওপর ঋণখেলাপিদের বিশেষ সুবিধা দেয়ার সমালোচনা করে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘আমরা বলেছি যদি ঋণখেলাপিদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার ওপর আলাদা স্লাপ তৈরি করা হয়,তাদের জন্য যদি ২০ বছরের ঋণ রিশিডিউল করা হয়,তাহলে আমার ক্ষুদ্র-মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য কেন করা হচ্ছে না’।

এ বিষয়টি এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের কাছে পরিস্কারভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন,ব্যাংকের সুদহার অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে।প্রধানমন্ত্রীসহ সকলের কাছে বিষয়টি এফবিসিসিআই উপস্থাপন করছে।এটা (সুদহার) কোনোভাবেই ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরির জন্য যথেষ্ট নয়। যে কারণে বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

গত সপ্তাহে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে এফবিসিসিআইয়ের বৈঠকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মহিউদ্দিন বলেন,‘সবক্ষেত্রে ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ থাকবে না। এনবিআর একটি বিষয় মেনে নিয়েছেন ভ্যাট সবক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ থাকবে না। এটি বিভিন্ন হার হবে।’

তিনি বলেন, ২৮ হাজার টাকা প্যাকেজ ভ্যাট। আমার কাছে রিপোর্ট আছে অনেকে এই ২৮ হাজার টাকা না দিয়ে, অসাধু ইন্সপেক্টরদের সঙ্গে হ্যান্ডশেক (হাত মেলানো) করছেন। দয়া করে এগুলো বন্ধ করুন। যেখানে অন্যায় করা হবে,সেখানেএফবিসিসিআই আপনাদের পাশে থাকবে। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করব।

ফিস ফার্ম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের সভাপতি মোল্লা শামসুর রহমান (শাহীন) বলেন, আমরা ৫-৭ শতাংশ সুদহারে ব্যাংকঋণের জন্য যুদ্ধ করছি। পিকেএসএফের দায়িত্ব দারিদ্র্য বিমোচন করা।তাই এফবিসিসিআইয়ের সদস্য সংগঠনগুলোর সদস্যদের পিকেএসএফের ঋণ দেয়ার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিতে হবে।

পাইকারি ভোজ্যতেল এসোসিয়েশনের সভাপতি হাজী মো. আবুল হাসেম এফসিসিআইয়ের মাধ্যমে স্বল্প সুদহারে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে ফজলে ফাহিম বলেন, সরকারি ব্যাংকগুলো এক অঙ্ক সুদহারে উদ্যোক্তাদের ঋণ দিচ্ছে। কিন্তু বেসরকারি ব্যাংকগুলোর সুদহার এখনো এক অঙ্কে নামেনি। আমরা এটার জন্য কাজ করছি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads