• মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৬ কার্তিক ১৪২৬
ads
উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে: সালমান এফ রহমান

সংগৃহীত ছবি

অর্থ ও বাণিজ্য

উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে: সালমান এফ রহমান

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৭ জুলাই ২০১৯

নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করতে উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। তিনি বলেছেন, নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে প্রশিক্ষক বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। নতুন এই উদ্যোক্তাদের ৬৪ জেলায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। উদ্যোক্তাদের স্লোগান হচ্ছে, ‘চাকরি চাই না, চাকরি দিতে চাই’।

গতকাল মঙ্গলবার ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন (আইএসসি) এবং অর্থনীতি বিটের রিপোর্টারদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরফ) যৌথ আয়োজনে এক কর্মশালায় তিনি এ তথ্য জানান। বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ শীর্ষক ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি।

রাজধানীর পল্টন টাওয়ারে ইআরএফের নিজস্ব কার্যালয়ে এই ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ইআরএফের সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইআরএফের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সিনিয়র ইকোনমিস্ট মাশরুর রিয়াজ ও বেসরকারি খাত বিশেষজ্ঞ হোসনা ফেরদৌস।

সালমান এফ রহমান বলেন, সহজে ব্যবসা করার সূচকে উন্নতি করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দেশে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন, রপ্তানি পণ্যের বহুমুখী করতে হবে, তবে সেটা পোশাককে বাদ দিয়ে নয়। পোশাকে আমার দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছি। আরো উন্নতির সুযোগ আছে। পাশাপাশি অন্য খাতের রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি বলেন, পোশাকের মতো সব রপ্তানি খাত সমান সুযোগ পাবে। অতীতে আমরা সেই সুযোগ দিতাম না। এবার সে সুবিধা পাবে। এ বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি আরো বলেন, আমাদের গামেন্ট পণ্যের বহুমুখীকরণ হয়েছে। পাশাপাশি গার্মেন্ট পণ্যের বাজারেরও বহুমুখীকরণ হয়েছে। আগে আমরা আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে রপ্তানি করতাম, এখন বিশ্বের অনেক দেশে গার্মেন্ট পণ্য রপ্তানি করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, তবে শিল্পের এক খাত থেকে যখন আমরা অন্য খাতে যাচ্ছি, তখনই আমাদের অভিজ্ঞতার অভাব দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে আমাদের শ্রমিক সংকট না হলেও ম্যানেজারের সংকট হয়। সেই অভিজ্ঞতার অভাবে আমরা বাইরে থেকে ম্যানেজার আনি। আশা করি, ভবিষ্যতে এ সংকট থাকবে না।

তিনি জানান, আগামী অক্টোবরের শেষ নাগাদ ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ডুয়িং বিজনেস সূচকে আশা করছি বাংলাদেশ দুই অঙ্কের ঘরে নেমে আসবে। যদি আমাদের আশা পূর্ণ হয়, তাহলে এটি বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ বাংলাদেশে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা), বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অথরিটি (বেজা), বেপজা ও হাইটেক পার্ক এসব জায়গায় যারা বিনিয়োগ করবে, তারা ওয়ান স্টপ সার্ভিসের সুবিধা পাবে।

ইআরএফ সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে ৭৪৪টি পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। কিন্তু রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশই আসে একটি মাত্র খাত পোশাক শিল্প থেকে। আমরা মনে করি, কেবল একটি পণ্যের ওপর এভাবে নির্ভরশীল হয়ে একটি দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। তাই রপ্তানি পণ্য বহুমূখীকরণের উদ্যোগ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads