• শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
বীমায় আস্থা ফেরাতে ব্যাংকার ইনস্যুরেন্স চালু জরুরি

প্রতীকী ছবি

অর্থ ও বাণিজ্য

বীমায় আস্থা ফেরাতে ব্যাংকান্সুরেন্স চালু জরুরি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০৬ আগস্ট ২০১৯

দেশের অর্থনীতির আকার বাড়ছে। ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার। তবে অর্থনীতির সঙ্গে বীমা খাতের প্রসার হচ্ছে না। কিন্তু বীমা খাতের প্রবৃদ্ধি এক শতাংশ বাড়লে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে ২ শতাংশ। এ জন্য বীমা খাতের দিকে নজর দিতে হবে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে ডেল্টা লাইফ টাওয়ারে এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য ওঠে আসে। বীমা খাতের সম্ভাবনা শীর্ষক এক ওয়ার্কশপের আয়োজন করে বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড। এতে বীমা খাতের ওপরে মূল প্রবৃদ্ধ উপস্থাপন করেন সংস্থাটির প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ভিনেত আগারওয়াল। এ সময় ডেল্টা লাইফের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক উত্তম কুমার সাধুসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

মূল প্রবদ্ধে বলা বলা হয়, বীমায় আস্থা ফেরাতে ব্যাংকান্সুরেন্স প্রসার করতে হবে। এটি প্রসার করা গেলে সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে এই খাতের প্রতি। এখন আস্থাহীনতা এজেন্ট নিয়োগ দেওয়া কঠিন। কিন্তু এ খাতের প্রসারের জন্য এজেন্ট বাড়াতে হবে।

বিনীত আগারওয়াল বলেন, দেশে বেকার সমস্যা রয়েছে। কিন্তু বীমা খাতের প্রতি মানুষের আস্থা না থাকায় এই খাতে কেউ কাজ করতে চান না। এটি উদ্বেগজনক। তবে ব্যাংকিং পদ্ধতির মধ্যে বীমা খাত নিয়ে যেতে পারলে বীমা কোম্পানিগুলোও সর্তক হবে। অপর দিকে, মানুষের আস্থা বাড়বে। আবার অবকাঠামোগত ব্যয় কমে যাবে। 

তথ্য তুলে ধরে এই কর্মকর্তা বলেন, ভারতে বীমা খাতের ৬৭ শতাংশ ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনায় চলে গেছে, ফিলিপাইনে ৭৪ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়ায় ৭০ শতাংশ। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো এই ব্যবস্থা চালু হয়নি। দ্রুত চালু করার সুযোগ দিতে হবে সরকারকে।

তিনি আরো বলেন, বীমান খাতের প্রসার হলে এখান থেকে অর্থ নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করা যাবে। ফলে আর্থিক খাতে ভারসাম্য আসবে।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, ভারতসহ পৃথিবীর অনেক দেশে বীমা খাতের অবদান অর্থনীতিতে অনেক বেশি। কিন্তু বাংলাদেশে এটি এক শতাংশেরও কম।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads