• শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৪ ফাল্গুন ১৪২৪
ads
গীতিকার বুলবুল

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল

সংরক্ষিত ছবি

আনন্দ বিনোদন

গীতিকার বুলবুল

  • বিনোদন প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৩ জানুয়ারি ২০১৯

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সঙ্গীত পরিচালক পরিচয়ের সমান্তরালে গীতিকার পরিচয়টি সমুজ্জ্বল। গত শতাব্দীর সত্তরের দশক থেকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে দাপটের সঙ্গে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন তিনি। এর মধ্যে শত শত গান রয়েছে তার নিজের লেখা যা তুমুল জনপ্রিয় হয়। শুধু চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় গানের রচয়িতাই ছিলেন না বুলবুল, তার লেখা বেশকিছু দেশের গানও কালোত্তীর্ণ হিসেবে স্বীকৃতি পায় শ্রোতাদের কাছ থেকে।

১৯৭৮ সালে ‘মেঘ বিজলী বাদল’ ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।

বুলবুলের সুর করা অধিকাংশ গানই তার নিজের রচিত। এসব গানে কণ্ঠ দিয়েছেন দেশসেরা সব কণ্ঠশিল্পী। ‘সুন্দর সুবর্ণ তারুণ্য লাবণ্য’, ‘ও আমার আট কোটি ফুল দেখ গো মালি’, ‘মাগো আর তোমাকে ঘুম পাড়ানি মাসি হতে দেব না’, ‘একতারা লাগে না আমার দোতারাও লাগে না’ প্রভৃতি মন মাতানো দেশের গানের গীতিকার তিনি।

এ ছাড়া চলচ্চিত্রের অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় গানেরও রচয়িত বুলবুল। ‘আইলো দারুণ ফাগুনরে’, ‘আমি তোমার দুটি চোখে দুটি তারা হয়ে থাকব’, ‘আমার গরুর গাড়িতে বউ সাজিয়ে’, ‘পৃথিবীর যত সুখ আমি তোমারই ছোঁয়াতে যেন পেয়েছি’, ‘তোমায় দেখলে মনে হয়, হাজার বছর আগেও বুঝি ছিল পরিচয়’, ‘কত মানুষ ভবের বাজারে’, ‘বাজারে যাচাই করে দেখিনি তো দাম’, ‘আম্মাজান আম্মাজান’সহ অসংখ্য চলচ্চিত্রের গান লিখেছেন বুলবুল।

একাত্তরে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল ছিলেন পনেরো বছরের কিশোর। যোগ দিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। দেশপ্রেমিক বুলবুলের রচিত গানে তার প্রতিচ্ছবি ভেসে ওঠে। বাংলাদেশে যতগুলো দেশের গান তৈরি হয়েছে, তার মধ্যে বুলবুলের লেখা সুর করা গানই শ্রেষ্ঠ। আজো মানুষ বুলবুলের লেখা, সুর করা দেশের গানগুলো আবেগাপ্লুত হয়ে শুনে থাকে।

এর বাইরে জাত মিউজিশিয়ান হিসেবে চলচ্চিত্র ও অডিওর গান করেছেন একাধারে। তার লেখা ও সুর করা সেসব গানের বেশিরভাগই বিভিন্ন সময়ে জনপ্রিয় হয়। গান লেখা ও সুর করার কাজটি করে গেছেন বুলবুল ক্যারিয়ারজুড়েই। এমন প্রতিভা খুব কম মিউজিশিয়ানের মধ্যেই থাকে। বুলবুল ছিলেন সেই ব্যতিক্রমী মিউজিশিয়ানদের একজন।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads