• শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
লক্ষ্য যখন মেডিকেল কলেজ

সঠিক প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা

ছবি : সংগৃহীত

ফিচার

লক্ষ্য যখন মেডিকেল কলেজ

  • প্রকাশিত ২২ জুলাই ২০১৮

কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে কঠিন এক পরীক্ষা, ভর্তিযুদ্ধ। হাজার হাজার শিক্ষার্থী নিজের মেধা ও পরিশ্রমের সবটুকু ঢেলে এই পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেয়। এর ফলই ঠিক করে দেয় একেকজনের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন।

এখন সময়টা প্রস্তুতির। কঠোর অধ্যবসায়ের। সঠিক প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা। তাই সারা জীবনের স্বপ্ন ও সাধনা যাদের মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করার, তাদের জন্য ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে প্রস্তুতিটা কেমন হওয়া উচিত তা জানালেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে সদ্য পাস করা ইন্টার্ন ডাক্তার সাকিয়া হক ও মানসি সাহা

regular_3054_news_1532193099

সহজ হলেও প্রাণিবিজ্ঞানের সব বিষয় খুব ভালোভাবে পড়তে হবে

ডা. সাকিয়া হক

ইন্টার্ন চিকিৎসক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

মেডিকেলে ভর্তি হওয়া অনেকের স্বপ্ন। কিন্তু এই স্বপ্ন পূরণের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিতে হয় আমরা সবাই কি তা জানি?

যারা এবার ভর্তি পরীক্ষা দেবে তাদের উদ্দেশে বলি, প্রথমেই ভেবে নাও তুমি মেডিকেলে পড়তে চাও কি না। তোমার বাবা-মায়ের চাওয়া থাকতে পারে। কিন্তু তার আগে নিজের মনের কথা শোন, তুমি কি চাও?

ধরে নিলাম তুমি নিজেই ডাক্তার হতে চাও। আচ্ছা তোমার কি মুখস্থ বিদ্যা খারাপ? বিশ্বাস কর, আমার মুখস্থ বিদ্যাও খুব খারাপ। তুমিও আমার মতো হলে এই টিপসগুলো তোমার জন্য-

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার কিন্তু বেশি দিন বাকি নেই। সর্বোচ্চ মাস দুয়েক ধর। এর মধ্যে তোমার বেশকিছু সাবজেক্ট ভালোভাবে শেষ করতে হবে।

জীববিজ্ঞান : আমি জানি অনেকের কাছেই উদ্ভিদবিজ্ঞানের চেয়ে প্রাণিবিজ্ঞান সহজ লাগে। তবে সহজ হলেও প্রাণিবিজ্ঞানের সব বিষয় খুব ভালোভাবে পড়তে হবে। এক কথায় বলতে গেলে, প্রাণিবিজ্ঞানের প্রতিটি লাইন সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে একাধিক লেখকের বইয়ের সাহায্য নিতে পার। আমি তিন-চারটি লেখকের বই নিয়ে বসে এক্সট্রা ইনফরমেশন কেটে বইতে গাম দিয়ে লাগিয়ে তারপর পড়তাম।

শুধু প্রাণিবিজ্ঞানই নয়, সব সাবজেক্টই কিন্তু তোমার বুঝতে হবে, বেসিক ক্লিয়ার থাকতে হবে। তুমি যদি কশেরুকাগুলোর ছবি বা ভিডিও না দেখ, তাদের সম্পর্কে পড়ে মনে রাখা এমনিতেই কঠিন মনে হবে। শুধু ‘চলন ও অঙ্গচালনা’ না, মানবদেহের সব অধ্যায় বুঝে পড়ার সুযোগ আছে। হাইড্রা, ঘাসফড়িং, রুই মাছ, এমনকি শ্রেণিবিন্যাস এবং ছবি ও ভিডিও দেখে পড়া যায়। এভাবে পড়লে তোমার কাছে সব কিছু জীবন্ত মনে হবে এবং খুুব সহজেই মনে রাখতে পারবে।

হ্যাঁ, বৈজ্ঞানিক নাম তোমার মুখস্থ করতেই হবে, বৈশিষ্ট্যও কিছু কিছু মুখস্থ করতেই হবে। কিন্তু বুঝে পড়ার জিনিসও যদি তুমি মুখস্থ কর, তাহলে যেগুলো মুখস্থ করার মতো, সেগুলো আর মনে থাকবে না।

এবার আস উদ্ভিদবিজ্ঞানে। সবার কঠিন লাগে কোষ রসায়ন, উদ্ভিদ, শারীরতত্ত্ব আর আবৃতবীজী চ্যাপ্টার।

কোষ রসায়নের প্রোটিনের নাম পড়া কঠিন আমি জানি, আবৃতবীজীতেও অনেক মুখস্থ করতে হয়, কিন্তু শারীরতত্ত্ব কিন্তু বুঝে পড়া সম্ভব। যেগুলো কঠিন লাগে, সেগুলো একটা নোট খাতায় লিখে ফেল, পরীক্ষার আগের দিন খাতাটা রিভাইজ দিবে শুধু।

পদার্থবিজ্ঞান : আমার মতে, সবচেয়ে ইজি টপিক হলো ফিজিক্স। ঠিকভাবে পড়লে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ২০/২০ পাওয়া সম্ভব। ফিজিকসের ম্যাথগুলো এখন থেকেই প্র্যাকটিস কর। পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর পাবে না, তাই মুখে মুখে করার অভ্যাস কর। অনেক সময় তোমরা ম্যাথগুলোতে শুধু চোখ বুলিয়ে যাও। সূত্র দেখে যাও। এ রকম করলে কিন্তু পরীক্ষার হলে ম্যাথগুলো সমাধান করতে সমস্যা হবে। কারণ শুধু দেখে যাওয়ার কারণে পরীক্ষার হলে ম্যাথটা গুলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। কাটাকাটি করাটা একটা আর্ট, বুঝলা? তাই বেশি বেশি চর্চা কর।

ফিজিকসের কিছু চার্ট আছে, সেগুলো ছাড়া মুখস্থ করার মতো তেমন কিছু নেই। চার্টটা ওই স্পেশাল খাতায় পরীক্ষার আগের দিন দেখার জন্য টুকে রাখ। আর একটা জিনিস, একক মাত্রা মুখস্থ করতে হয় না। বিশেষত বড় একক আর মাত্রা। পরীক্ষার টেনশনে এইগুলো গুলিয়ে ফেলার চান্স বেশি।

রসায়ন : সত্যি কথা বলতে, এটার সাজেশন দেওয়া একটু কঠিন। কেন যে তোমাদের লিপস্টিক, টয়লেট ক্লিনারের কম্পোজিশন পড়তে হয়, আমার মাথায় ঢোকে না।

কেমিস্ট্রি প্রথম পত্রের লাস্ট চ্যাপ্টার আর দ্বিতীয় পত্রের লাস্ট চ্যাপ্টার বেশ কঠিনই। চেষ্টা কর, বোল্ড লাইনগুলো এটলিস্ট পড়ে যেতে। বিগত বছরের ইউনিভার্সিটির প্রশ্নগুলো সলভ কর। আর জৈব রসায়ন নিয়ে বলি, প্রত্যেকটা ভাগের একটা নোট করবে।

ধর, আলকেন : ফর্মুলা, কত থেকে কত কার্বন কঠিন/ গ্যাস/ তরল, সাধারণ প্রস্তুতি, ল্যাবরেটরি প্রস্তুতি (যদি থাকে), বৈশিষ্ট্য, শনাক্তকারী পরীক্ষা আর ব্যবহার।

এভাবে আলকেন থেকে শুরু করে কার্বক্সিলিক অ্যাসিড পর্যন্ত সবার একটা নোট করে নাও। দেখবে লিখতে গেলেই অনেকটা মুখস্থ হয়ে যাচ্ছে।

আরেকটি জিনিস, সায়েন্টিস্টের নামওয়ালা রিয়েকশনগুলো যেমন ধর, কোব, ক্যানিজারো, স্যান্ডমেয়ার ইত্যাদি এগুলো কোনোভাবেই বাদ দেওয়া যাবে না।

ইংরেজি : ইংরেজি আমার কাছে খুব সহজ বিষয় মনে হয়। তবে সবার কাছে এমনটা নাও হতে পারে। তুমি এটলিস্টsynonyms, antonym, spelling এগুলো ভালোভাবে পড়বা। যতই ইংরেজিতে দক্ষ হও এগুলো ভুল হয়ে যায়। আশা করি prepositions, idioms & phrases, right forms of verbs এগুলো ইতোমধ্যে প্র্যাকটিস করেছ আর তা না করে থাকলে এখনই এদিকে মনোযোগ দাও।

সাধারণ জ্ঞান : এটি এমন একটি বিষয় যার নির্দিষ্ট কোনো সিলেবাস নেই। কোথা থেকে প্রশ্ন আসবে তা বলা যায় না। তবে আমি কি করতাম জান? প্রতিদিন নিউজ দেখতাম, দৈনিক পত্রিকা পড়তাম। এভাবেই অনেক সাম্প্রতিক বিষয় জানা হয়ে গিয়েছিল। তোমরা এগুলোর পাশাপাশি কারেন্ট এফেয়ার্সের মতো বইগুলোতে চোখ বুলাতে পার। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ, স্টিফেন হকিং, নোবেল পুরস্কারসহ সাম্প্রতিক টপিকসগুলো সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। সবাই বলে, মেডিকেলে অনেক পড়া, পড়তে পড়তে জীবন চলে যায়। কিন্তু আমি বলব, আমি ওই তিন মাস যা পড়েছিলাম তা মেডিকেলে এসে প্রতিবছরেও পড়তে হয়নি। তাই আর তো দুই মাস! এরপরে তুমি মুক্ত! মেডিকেলে ঢুকলে মানুষ তোমাকে যে সম্মানটা দেবে তার কাছে এই কষ্ট কিছুই না। এসবের গল্প করলে পত্রিকার পৃষ্ঠা শেষ হয়ে যাবে।

 

regular_3054_news_1532193119

প্রতিটি টপিকস খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ভালোভাবে বুঝে পড়তে হবে

ডা. মানসি সাহা

ইন্টার্ন চিকিৎসক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

মনে আছে। ছোটবেলাতে আমাকে বলা হতো, এসএসসি পর্যন্ত ভালো করে পড় তারপর আর চিন্তা নেই। এসএসসি শেষে বলা হলো, এইচএসসি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এরপর যত খুশি মজা কর। বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার কোনো চাপ নেই! আসলে এসব মনভুলানো কথায় কান দেওয়ার কোনো দরকার নেই। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের মতো লেখাপড়ার সব ধাপ সমান। তবে আমাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয়- পড়াশোনা করার জন্য সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ সময় কোনটা? সেক্ষেত্রে আমি বলব, এইচএসসি পরীক্ষার পরের সময়টা। কারণ এই সময়ে তুমি স্বপ্নের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার জন্য পড়াশোনা করছ। স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য পড়ছ। তুমি পড়ছ তোমার এতদিনের বাংলা দ্বিতীয়পত্রের লেখা রচনা এইম ইন লাইফকে বাস্তবায়ন করার জন্য। 

ইতোমধ্যে এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট তো জেনেই গেছ। যেহেতু মেডিকেল অ্যাডমিশন টেস্টের মোট নম্বরের অর্ধেকটাই রেজাল্টের ওপর নির্ভর করছে। যাদের এসএসসি এবং এইচএসসি উভয়েই জিপিএ-৫ আছে, তারা এখন এদিক-ওদিক কিছু না ভেবে পড়তে শুরু কর। যাদের কোনোটাতে জিপিএ একটু কম আছে তাদেরও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। শুধু অন্যদের চেয়ে বেশি পড়াশোনা করতে হবে। এইচএসসিতে জিপিএ-৫ না পেয়েও ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার প্রচুর উদাহরণ আছে। 

পড়ার ক্ষেত্রে ‘মূল বইয়ের বিকল্প নেই’ কথাটা আসলেও অক্ষরে অক্ষরে সত্য। মূল বই চর্চায় জোর দাও। তোমরা তো জানই, মেডিকেল ভর্তিতে জীববিজ্ঞানের ওপর গুরুত্ব এমনিতেই বেশি থাকে। প্রতিটি অধ্যায় খুবই দরকারি। তার মধ্যে মানবদেহ সম্পর্কিত অধ্যায়গুলো বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তাই বলে পদার্থবিজ্ঞান বা রসায়নকে কম গুরুত্ব দিলে চলবে না। রসায়নের নামযুক্ত বিক্রিয়াগুলো খুবই ইম্পর্ট্যান্ট। জৈব যৌগ চ্যাপ্টারটি অনেকের কাছে কঠিন লাগলেও এখান থেকে অনেক সময় একাধিক প্রশ্ন থাকে। এ ছাড়া যেকোনো টপিকের বৈশিষ্ট্যগুলো উদাহরণসহ মার্ক করে পড়তে হবে। বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে নাম, উৎপাদ কী কী তৈরি হচ্ছে, প্রভাবকের নাম, অনুকূল তাপমাত্রা- এগুলো ভালো করে পড়তে হবে। দরকার হলে নিজের মতো নোট তৈরি করে নিলে ভালো হয়। পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ছোট ছোট অঙ্কগুলো অনুশীলন করতে হবে বার বার। সব বিষয়েই কিছু কিছু জিনিস তিন তারকা সমান গুরুত্ব দিয়ে পড়তে হবে। যেমন- যেকোনো পার্থক্য, উদাহরণ, বৈশিষ্ট্য, বিশেষভাবে আলোচিত টপিকগুলো। 

পড়া কিন্তু অনেক, সেই তুলনায় সময় কম। অল্প সময়েই যে যত বেশি গুছিয়ে পড়তে পারবে, তার সাফল্যের সম্ভাবনা বেশি। গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো বার বার ঝালাই করতে হবে, বিশেষ করে সাধারণ জ্ঞান ও ইংরেজি বিষয়ের ওপরও আলাদা জোর দিতে হবে। 

সাধারণ জ্ঞানের যে বইগুলো পাওয়া যায় তার সঙ্গে দৈনিক পত্রিকায় চোখ রাখতে হবে। বিগত বছরের মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সমাধান করা যেতে পারে। এখান থেকে অনেক প্রশ্ন আসে। ইংরেজিটা সাধারণত এত দিনের একাডেমিক পড়াশোনা থেকে যা শিখেছ তার ওপর ভিত্তি করেই ভালো উত্তর করা যায়। নেগেটিভ মার্কিং নিয়ে দুশ্চিন্তা বাদ দিতে হবে। বরং পরীক্ষার হলে বসেই চিন্তা কর ঠিকমতো না-জানা অথবা কঠিন প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবে কি না। 

নিজে পড়াশোনা করার পাশাপাশি আরেকটি কাজ করা খুব দরকার, সেটি হলো সেল্ফ অ্যাসেসমেন্ট। যেকোনো জায়গাতে বা বাসায় বসে নিজে নিজে বার বার পরীক্ষা দাও। পুরনো সালের প্রশ্নগুলো সলভ কর। একটা একটা অধ্যায় শেষ করে তার ওপর পরীক্ষা দাও। বার বার পরীক্ষা দিলে দেখা যাবে তুমি নিজেই তোমার ওই অধ্যায়ের ওপর দক্ষতা বুঝতে পারবে। এতে করে সেই অনুযায়ী তুমি ওই অধ্যায়ের প্রস্তুতি নিতে পারবে। এ ছাড়াও এতে করে পরীক্ষাভীতি কমে যাবে। 

এইচএসসিতেও তোমরা যে বই পড়ে এসেছ সেই একই বই আবার পড়তে হচ্ছে। শুধু পড়ার ধরনটা একটু আলাদা। এখন তোমাকে প্রতিটি টপিকস খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ভালোভাবে বুঝে পড়তে হবে। তুমি নিজে নিজের যে পরীক্ষাগুলো নেবে তাতে যদি নম্বর কম আসে, ঘাবড়ানোর দরকার নেই। পড়তে থাক, আরো বেশি সময় দাও। বার বার চর্চা কর। সফল হবেই। এক একটা টপিক বার বার রিভিশন দাও। কারণ পরীক্ষার সময় তুমি একটি বা দুটি চ্যাপ্টার নয় তিনটি বইয়ের তথ্য মাথায় নিয়ে যাচ্ছ। তার সঙ্গে সিলেবাসহীন সাধারণ জ্ঞান। খুব একটা সোজা কথা নয় কিন্তু। 

পরীক্ষার হলে মাথা ঠাণ্ডা করে এক ঘণ্টা পরীক্ষা দেওয়াটাও অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। খুব ভালো ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষার হলে প্যানিক করে পরীক্ষা খারাপ করেছে- এমনটা আমার নিজের দেখা। তাই আমি বলব, শরীর সুস্থ রাখ, পড়াশোনা কর, বার বার অনুশীলন কর এবং শান্ত মাথায় পরীক্ষা দিয়ে আস।  

সর্বোপরি একটা কথা সবার জন্য, এই সময়টা নিজের ক্যারিয়ারের জন্য খুবই ক্রুশিয়াল একটা সময়। তোমার নিজের স্বপ্নকে অনুসরণ করে যাও। কারো চাপে বা নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ক্যারিয়ার প্লান করা বোকামি মাত্র। কারণ তাতে ক্ষতিটা তোমারই। তুমি মন থেকে যা করতে চাও, যা হতে চাও তার জন্য আদাজল খেয়ে লেগে পড় আজই। তুমি যদি পরিশ্রম কর এবং সঙ্গে প্রভাবক হিসেবে তোমার ইচ্ছাশক্তি থাকে, জয় তোমার আসবেই।  

সর্বশেষ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তোমার মনে থাকা সব নেতিবাচক চিন্তা দূর করতে হবে। তুমি বিশ্বাস রাখবে যে, তুমি চান্স পাবেই; যত যা কিছুই ঘটুক না কেন। 

যারা সাদা অ্যাপ্রন গায়ে চড়িয়ে মানুষের সেবা করার জন্য মেডিকেল কলেজে ভর্তির প্রস্তুতি শুরু করেছ তাদের জন্য শুভ কামনা। 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads