• শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
মাছের যত বাহারি নাম!

প্লাঙ্কটনভুক মাছই উপরিভাগের শিকারে ধরা পড়ে

সংরক্ষিত ছবি

ফিচার

মাছের যত বাহারি নাম!

  • ফিচার ডেস্ক
  • প্রকাশিত ৩০ জুলাই ২০১৮

২০০৫ সালে বাংলাদেশের স্বাদুপানির মাছকে এ. কে. আতাউর রহমান ৫৫টি পরিবারের অধীনে ১৫৪ গণের ২৬৫টি প্রজাতিকে তালিকাভুক্ত করেছিলেন, যে তালিকায় কয়েক প্রজাতির সামুদ্রিক মাছও ছিল। সর্বশেষ বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ’-এ ১৭টি বর্গের অধীন ৬১টি পরিবারের ২৫১টি প্রজাতিকে স্বাদুপানির মাছ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে— দেশি চিতল, ফলি, চুনা খইলশা, বাইলা, আইড়/আরটামিম/আড়, এংরট, জেব্রা আঞ্জু, আরওয়ারি, বাগাইড়/বাঘাইড়, শাল বাইম, বইটকা/ঘোড়া মুইখা, শিলঙ্গ/শিঙ্গঘি/শিঙি, শোল, দেশি ভেটকি, বালিচুরা, হাঁটুনি দারাক, বিজয়া দারি, ঢাল মাগুর, এক থৌতা, গেছুয়া, তেলোটাকি, গাং ঘাঘড়া, গাং মাগুর, বামুশ, বানেহারা, বাঁশপাতা/দেবারি, বাঁশপাতা/বাটা, বেচি, বেলে, ভাদি পুঁটি, ভাঙন, ভোল, বোরালি, বারিল/জইয়া, বাটা/বাংনা, বাতাসি, কুলি/ভূত বেলে, কোসুয়াটি, কুমিরের খিল, কুরসা, কাচকি, কাজুলি, কাকিলা, কালিবাউস/কালবোশ, কাচোন পুঁটি, কানি পাবদা, কানি টেংরা, করাতি হাঙর, কাঁঠাল পাতা, কাতল, কুটি কানটি, খলশে, লাল খলশে, লম্বা চাঁদা, ছোট শিংঘী, গাঙ্গেয় জাংলা, বিলচুরি, বোয়াল, বোরগুনি, বাংলা রানি, বৌমাছ/রানি, মোরারী, গরই, খাকসা, খারু, কই, কৈরকা, কোইটুর, ককসা, চন্দনা ইলিশ, গণি চাপিলা, দেশি সুইয়া, চেবলি, চেকা, চেলা, দেশি লাউবুছা, চেওয়া, চুনো বেলে, কমন কার্প, ডাহুক, গাং টেংরা, কেয়াকাঁটা টেংরা, কোশী টেংরা, গুলসা টেংরা, কাবাশি টেংরা, ঘর পোয়া, গিলি পুঁটি, বেলে, গোটি পোয়া, গজার, গ্রাস কার্প, গুরা টেঙ্গরা, গুতুম, ঘনিয়া, ঘর পোয়া, ঘোড়া চেলা, ঘোড়া মাছ, ইলিশ, ছোট পিয়ালী, কেটি, মধু পাবদা, মাগুর, মলা পুঁটি, মলা, মৃগেল, মুরিবাচা, নানডিল, নাপতে কই, নেফটেনি, নিলোটিকা, ফ্যাঁসা, ফোঁপা চান্দা/ফোঁপা চাঁদা, ফুটনি পুঁটি, পোয়া, পটকা, বেলে, পুয়া, পুঁটি, সরপুঁটি, তিত পুঁটি, মহাশোল, রাজপুঁটি, রাঙ্গা চান্দা, রাটা বউরা, রিটা, রুই, শাপলা পাটা, দেশি দাড়কিনা, পাতি দাড়কিনা, দাড়কিনা, পাবদা, পাঙ্গা, পাঙ্গাশ, শভন খোরকা, সাদা ঘনিয়া, শানকাচি, টাকি, ট্যাঁপা, সিলভার কার্প, ছোট মাগুর, নদয়, নুনা বেলে, নুনা টেংরা, পাঁকাল বাম, পাথর চাটা, টাটারি, মহাশির, শুনকুশ, তপসে, তারা বাইম, টেংরা, টেরা পুঁনটি, টিয়াশোল, তেলাপিয়া।

অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে ৪৪২ প্রজাতির মাছ থাকলেও বাণিজ্যিকভাবে সংগৃহীত হয় মাত্র ২০ প্রজাতির মাছ। এক্ষেত্রে অধিকাংশ প্লাঙ্কটনভুক মাছই উপরিভাগের শিকারে ধরা পড়ে। এগুলো হচ্ছে—ইলিশ, ম্যাকারেল, লইট্টা, রূপচাঁদা, ভারতীয় স্যামন, মুলেট, অয়েল সারডিন, উপরিভাগের হাঙর, স্কিপজ্যাক, তপসী, করাত মাছ, বাটার ফিশ, পাইক, বোনিটো, স্মেল্ট, ডোরাব হেরিং, ভারতীয় অ্যানকোভি, ভারতীয় স্ক্যাড, ডগফিশ (ছোট জাতের হাঙর) ইত্যাদি। আর অধিকাংশ তলবাসী মাছ সমুদ্রতলে বা কাছাকাছি থাকে। এগুলোর কয়েকটি হচ্ছে—পোয়া, ক্রোকার, ক্যাটফিশ, ফ্ল্যাটফিশ, রকফিশ, সীবাস, পাইক, সী-ব্রিম্স, স্ন্যাপার, স্ক্যাভেঞ্জার, বাইম, র্যাবিট মাছ, গ্রাউপার, সিলভার ব্রিম, গোটফিশ, কাঁকড়াভুক, ছুরিমাছ ও তলবাসী হাঙর।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads