• বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫
ads
মৎস্য বিপণন ও রফতানি

মাছ রফতানিতে চীন ও ভারতের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান

সংরক্ষিত ছবি

ফিচার

মৎস্য বিপণন ও রফতানি

  • ফিচার ডেস্ক
  • প্রকাশিত ৩০ জুলাই ২০১৮

মৎস্য উৎপাদন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিপণন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাইকারিভাবে ভোক্তাদের গ্রহণযোগ্য মূল্যে সরবরাহ করা গেলেই মৎস্য আহরণ ও বিপণন লাভজনক হয়। মৎস্য বিপণন প্রায় পুরোটাই সম্পন্ন হয় ব্যক্তিগত খাতে। গ্রামীণ হাট-বাজার, শহরের মার্কেট (বাজার), জনসমাগমস্থল, শহুরে পাইকারি ও খুচরা বাজারগুলোর এক জটিল পদ্ধতির মাধ্যমে এ বিপণন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন চট্টগ্রামে আধুনিক মৎস্য পোতাশ্রয় এবং কক্সবাজার, বরিশাল, খেপুপাড়া, পাথরঘাটা ও খুলনায় সামুদ্রিক মাছ আর রাঙামাটি, কাপ্তাই, রাজশাহী ও ডাবরে স্বাদুপানির মাছের অবতরণ কেন্দ্র নির্মাণ করেছে। পোতাশ্রয় ও সব অবতরণ কেন্দ্রে নোঙর বাঁধা, নিলাম ডাকা, বরফকল, হিমাগার, ফ্রিজার ও মৎস্যবাহী ভ্যান ইত্যাদির ব্যবস্থাসহ আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত সুযোগ-সুবিধার সংস্থান রয়েছে।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মাছ রফতানিতে চীন ও ভারতের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। ২০১৮ সালে অভ্যন্তরীণ মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে উন্নীত হয়েছে। ২০১৭ সাল পর্যন্ত যে অবস্থান ছিল পঞ্চম। জাতিসংঘের সংস্থা এফএও’র সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ইকোনমিক রিভিউয়ের তথ্য সূত্রে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ জানান, বাংলাদেশের জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান এখন ৩.৫৭ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপিতে এ খাতের অবদান ২৫.৩০ শতাংশ। আর দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ১১ শতাংশের অধিক লোক মৎস্য আহরণে জড়িত। ২০১৭-১৮ সালে দেশ প্রায় ৬৯ হাজার টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রফতানি করে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads