• শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল : আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত

ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল

ছবি : ইন্টারনেট

ফিচার

ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল : আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত

  • কামরুল আহসান
  • প্রকাশিত ০৯ আগস্ট ২০১৮

আগামী ১৩ আগস্ট ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের ১০৮তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯১০ সালের ১৩ আগস্ট ৯০ বছর বয়সে তিনি নিজগৃহে ঘুমের মধ্যে মারা যান। তিনি আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত। ধরতে গেলে তার একক প্রচেষ্টায় নার্সিং সেবা আজ এতদূর এসেছে। যখন হাসপাতালেরও সুব্যবস্থা ছিল না, তখন তিনি রোগীদের ঘরে গিয়েই সেবা করেছেন। তাকে বলা হতো প্রদীপ হাতে নারী। ক্রিমিয়ান যুদ্ধের সময় আহত সৈন্যদের সেবা করে তিনি অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। রাতেরবেলা প্রদীপ হাতে বেরিয়ে যেতেন আহত সৈন্যদের খোঁজে। তাদের সেবাশুশ্রূষা দিয়ে সুস্থ করে তুলতেন। মানবতার এ অনন্য সেবার জন্য সারা বিশ্বের মানুষ আজো তাকে মনে রেখেছে। তার নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অসংখ্য স্কুল-কলেজ-হাসপাতাল। অসংখ্য তথ্যচিত্র বানানো হয়েছে তার নামে। অনেক শিল্পী তাকে ভালোবেসে ধারণ করেছেন ক্যানভাসে। সমালোচনাও কম সইতে হয়নি তাকে। অনুদান সংগ্রহের জন্য ইচ্ছে করেই তিনি অনেক ধনবান মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতেন, সেজন্য শুনতে হয়েছে গঞ্জনা। তাও তিনি নিজের পথে অবিচল ছিলেন সারা জীবন। আরো অনেক মেয়েকে নার্স হিসেবে তৈরি করেন, তাদের নিয়োগ করেন আর্তমানবতার সেবায়। ১৮৬০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘নাইটিঙ্গেল ট্রেনিং স্কুল’, যার বর্তমান নাম ‘ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল স্কুল অব নার্সিং। ১৮৬৭ সালে ডা. এলিজাবেথ ব্ল্যাকওয়েলের সঙ্গে যৌথভাবে নিউইয়র্কে চালু করেন ‘উইমেন’স মেডিকেল কলেজ’। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন সময় নার্সিংয়ের ওপর বইও লিখেছেন। তিনি একজন পরিসংখ্যানবিদও ছিলেন। ভারতবর্ষেও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন।

ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে এক ব্রিটিশ অভিজাত পরিবারে জন্মেছিলেন ১৮২০ সালের ১২ মে। ছোটবেলা থেকেই ছিলেন অত্যন্ত মানবিক ও মেধাবী। বিখ্যাত ব্রিটিশ লেখিকা ম্যারি ক্লার্ক তাকে ছোটবেলা থেকেই চিনতেন। তিনি বলেছিলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই ও ছিল সবার সঙ্গে মিশুক আর হাসিখুশি। কথা দিয়েই ও সবাইকে মুগ্ধ করে রাখত। ব্যবহার দিয়ে ও মানুষকে অর্ধেক সুস্থ করে ফেলত।’

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads