• বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫
ads
গারো পাহাড়ে দুগ্ধ খামারের স্বপ্ন

দুধ উৎপাদনে রয়েছে এলাকাটির উজ্জ্বল সম্ভাবনা

সংগৃহীত ছবি

ফিচার

গারো পাহাড়ে দুগ্ধ খামারের স্বপ্ন

  • প্রকাশিত ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

রেজাউল করিম বকুল, শ্রীবরদী (শেরপুর)

উপজেলার উত্তর সীমান্তে বিশাল এলাকাজুড়ে গারো পাহাড়। এখানে প্রায় ৫-৬ হাজার একর জমি পতিত। দুধ উৎপাদনে রয়েছে এলাকাটির উজ্জ্বল সম্ভাবনা। অথচ দেশের দুধের চাহিদা মেটাতে আমদানি করতে হচ্ছে শত শত কোটি টাকার গুঁড়োদুধ। প্রায় অর্ধশত ব্র্যান্ডের গুঁড়োদুধ বাজার দখল করে রেখেছে। দেশে উৎপাদিত দুধ দিয়ে চাহিদার চার ভাগের একভাগও পূরণ সম্ভব নয় বলে সম্প্রতি গুঁড়োদুধ বাজারজাতকারী এজেন্ট ও বিক্রেতাসহ একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

পশুসম্পদ অধিদফতর সূত্র জানায়, গারো পাহাড়ে প্রায় ২ লাখ গরু, ৫০ হাজার ছাগল ও কয়েক হাজার ভেড়া রয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ অনাবাদি জমিতে সরকারি বা বেসরকারিভাবে গড়ে উঠতে পারে শতাধিক দুগ্ধ খামার। উৎপাদন হতে পারে কোটি কোটি টাকার দুধ। বেকারত্ব দূরীকরণে অবহেলিত এ জনপদের জন্য সৃষ্টি হতে পারে কর্মসংস্থানের নতুন পথ। বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে যোগ হবে নতুন মাত্রা। এ প্রসঙ্গে বেসরকারি সংস্থা এপি ওয়ার্ল্ড ভিশনের  প্রোগ্রাম অফিসার হারুনুর রশিদ জানান, কৃষি ও ডেইরিসহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অনেক কৃষক রয়েছে। তাদের উন্নত জাতের গাভি কেনার সামর্থ্য নেই। তাই তারা দেশি জাতের ২০-২৫টি গাভি পালন করে সংসার চালাচ্ছেন। সংস্থার মাধ্যমে অনেককে বকনা গরু দেওয়া হয়েছে। তারা প্রাকৃতিক খাদ্য পাচ্ছেন বিনামূল্যে। এ জন্য অনেকে গাভি পালন করে সংসারে এনেছেন সচ্ছলতা। তবে উন্নত জাতের গাভি পালন করা হলে আরো বেশি লাভবান হতে পারবেন।

বাবেলাকোনার কৃষক মানিক মিয়া, খ্রিস্টানপাড়ার লবকোস মারাকসহ অনেকে জানান, দেশি গরু দিয়ে খামার করে কোনোমতে সংসার চালাচ্ছেন। তবে উন্নত জাতের গাভি পালনে আরো বেশি লাভ হবে। উপজেলা প্রাণী ও পশুসম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তা ডা. আবদুল বারেক বলেন, পাহাড়ে বিদেশি ল্যান্ড সেভার জাতের ঘাস চাষ করা যাবে। এটি ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যেই গোখাদ্য হিসেবে ব্যবহূত হয়। জমিও নষ্ট হয় না। এতে গোসম্পদ উন্নয়ন ছাড়াও দেশব্যাপী দুধের ঘাটতি পূরণে ব্যাপক সহায়ক হবে। 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads