• মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৩ আশ্বিন ১৪২৫
ads
ঢাবিতে শেষ হলো স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব

‘বেস্ট ডিরেকশন’-এর জন্য নির্বাচিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের চলচ্চিত্র ‘কানেক্টেড’

সংগৃহীত ছবি

ফিচার

ঢাবিতে শেষ হলো স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব

  • সৈয়দ মিজান
  • প্রকাশিত ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

প্রতিবছরের মতো এবারো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ আয়োজন করেছে আন্তর্জাতিক আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব। গত ২ সেপ্টেম্বর শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের এই আয়োজনে ১০ম আসরের সহযোগিতায় রয়েছে ইউনাইটেড ন্যাশনস হাই কমিশনার ফর রিফিউজি (ইউএনএইচসিআর)। এবার উৎসবে যুক্ত হয়েছে ‘শর্টফিল্ম অন রিফিউজি’ শীর্ষক নতুন একটি ক্যাটাগরি।

৫ সেপ্টেম্বর আয়োজনের সমাপনী দিনে ঘোষণা করা হয় এবারের উৎসবে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের নাম। আসরের সেরা চলচ্চিত্র ‘জহির রায়হান বেস্ট শর্ট’ নির্বাচিত হয়েছে রোমানিয়ান পরিচালক এলেনা সায়ালাকিউর ‘দি লিটল হিরো’। ‘তারেক মাসুদ বেস্ট ইমার্জিং ডিরেক্টর’ পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের নির্মাতা নীলা নুসরাতের ‘মাগনা’।

‘বেস্ট শর্টফিল্ম অন রিফিউজি’ নির্বাচিত হয়েছে সার্বিয়ান পরিচালক আলেকজান্ডার আলেকজিকের চলচ্চিত্র ‘অ্যানিহোয়্যার’। এই ক্যাটাগরিতে রানার-আপ হয়েছে বাংলাদেশি নির্মাতা মৃত্তিকা কামালের ‘এস্কেপ’। 

এ ছাড়া ‘বেস্ট ডিরেকশন’-এর জন্য নির্বাচিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের চলচ্চিত্র ‘কানেক্টেড’। ‘বেস্ট সিনেমাটোগ্রাফি’-এর জন্য নির্বাচিত হয় বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ‘দি মোন’। ‘বেস্ট এডিটিং’-এর জন্য যুগ্মভাবে নির্বাচিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের চলচ্চিত্র ‘কানেক্টেড’ এবং ‘ম্যারিপোসাস’।

বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ‘ইজ ইট গুড টু রান অ্যাওয়ে?’ নির্বাচিত হয়েছে ‘বেস্ট স্ক্রিনপ্লে’-এর জন্য। জার্মান চলচ্চিত্র ‘ড্রাউনিং’ পেয়েছে ‘বেস্ট অ্যানিমেশন’ বিভাগের পুরস্কার। 

উৎসবের শেষ দিনে টিএসসি অডিটরিয়ামে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএনএইচসিআরের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পাপা কিসমা সিলা, চলচ্চিত্র নির্মাতা মোরশেদুল ইসলাম, ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব বাংলাদেশের সভাপতি লাইলুন নাহার।

অনুষ্ঠানে পাপা কিসমা সিলা বলেন, ‘শরণার্থীবিষয়ক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রগুলোতে শরণার্থী পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক ফুটে উঠেছে। তরুণ নির্মাতাদের চলচ্চিত্রগুলো আমাকে আনন্দিত করেছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ সরকার বলেন, ‘শরণার্থী পরিস্থিতি বর্তমান বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। চলচ্চিত্রের মাধ্যমে নির্মাতারা শরণার্থী পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন।’

উৎসবের শেষ দিনের আয়োজনে তিনটি স্ক্রিনিং সেশনে মোট ৩৩টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads