• রবিবার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৫
ads
ভোটের আগে বেড়েছে লেনদেন

ছবি : সংগৃহীত

ফিচার

ভোটের আগে বেড়েছে লেনদেন

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষণ গণনা শুরু হয়ে গেছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল মোতাবেক, আগামী রোববার অনুষ্ঠিত হবে ভোট। এরই মধ্যে সংবাদমাধ্যমগুলোতে খবর বেরিয়েছে, ভোটকে কেন্দ্র করে বেড়েছে কালো টাকা ব্যবহার ও অর্থপাচার। ভোটে জিততে প্রার্থীরা কালো টাকার ব্যবহার করছেন। ব্যাংকগুলোতে বেড়েছে লেনদেন।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ-সিপিডি বলছে, নির্বাচনের ব্যাপক অর্থের ব্যবহারের কারণে ভালোরা নির্বাচনে আসতে পারছে না।

ব্যাংকের সূত্রগুলো বলছে, লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোতে নগদ টাকার টানাটানি চলছে। নগদ টাকার প্রয়োজন মেটাতে ব্যাংকগুলো যাচ্ছে কলমানি মার্কেটে।

এমন প্রেক্ষাপটে জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নগদ অর্থ উত্তোলন বেড়ে যাবে। এজন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (বিএফআইইউ)। তাই ব্যাংকের শাখা ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রে তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করতে বলেছে সংস্থাটি। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব মতে, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হচ্ছে। যাতে সক্রিয় হিসাব প্রায় তিন কোটি।

বিএফআইইউ প্রধান আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান সম্প্রতি তফসিলি ব্যাংকগুলোকে একটি নির্দেশনা পাঠিয়েছেন। সেখানে তিনি এই সতর্কতা জারি করেছে।

বিএফআইইউ প্রধানের চিঠিতে বলা হয়, ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আসা রফতানি ও প্রবাসী আয়ের গতি প্রকৃতি পর্যালোচনা করতে হবে। এজন্য এদিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। পাশাপাশি আমদানি ও রফতানির ঋণপত্র খোলার সময় অতি মূল্য ও কম মূল্য দেখানো হচ্ছে কি না তা যতটা সম্ভব যাচাই বাছাই করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নির্বাচন সামনে রেখে ব্যাংকের শাখাগুলোতে নগদ অর্থ উত্তোলন অনেক বেড়ে গেছে। এ কারণে অবৈধ অর্থ লেনদেনের আশঙ্কা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একজন প্রার্থী ভোটের জন্য ২৫ লাখ টাকা ব্যবহার করতে পারলেও বড় দলের প্রার্থীরা কেউ এ সীমা মানছে না। তারা কর্মীদের নির্বাচনের মাঠে রাখতে দৈনিক ভিত্তিতে টাকা পরিশোধ করে যাচ্ছেন। কর্মীপ্রতি ৫০০ থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিদিন খরচ করতে হচ্ছে বলে তথ্য মিলছে। তবে এ ব্যাপারে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলছেন না। 

বিএফআইইউ’র চিঠিতে বলা হয়েছে, ব্যাংক যাতে কোনোভাবেই সন্ত্রাসে অর্থায়নের কাজে ব্যবহূত না হয় বা কোনো সন্ত্রাসী ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করতে না পারে, সেদিকে সর্বোচ্চ সতর্ক নজর দিতে হবে। নিয়ম মেনে হিসাব খোলা ছাড়া কোনো ধরনের লেনদেন করা যাবে না। সংবেদনশীল এলাকার ব্যাংক শাখার লেনদেনে বিশেষ তদারকি করতে হবে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সন্ত্রাসী কাজে যুক্ত কোনো ব্যক্তির লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেলে তা বিএফআইইউকে জানাতে হবে। এ ছাড়া অনলাইনের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ কোনো লেনদেন হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads