• বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০১৯, ৪ মাঘ ১৪২৪
বাড়ল মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সক্রিয় হিসাব

ছবি : সংগৃহীত

ফিচার

বাড়ল মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সক্রিয় হিসাব

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সক্রিয় হিসাব সংখ্যা বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব মতে, নভেম্বর মাসে সক্রিয় হিসাব সংখ্যা বেড়েছে ১১ শতাংশ, যার পরিমাণ ৩৫ লাখ। অক্টোবর মাসের সঙ্গে পর্যালোচনা করে এমন চিত্র মিলেছে। পাশাপাশি গত নভেম্বরে মাসে প্রবাসী আয় বেড়েছে মোবাইল ব্যাংকিং ববহার করে। বর্তমানে ২০টি ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তবে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সরকারি লেনদেন কমে গেছে উল্লিখিত সময়ে। নভেম্বর শেষে মোবাইল ব্যাংকিং গ্রাহকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৬৮ লাখ ১৪ হাজার। আর গড় লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৭ কোটি টাকা।

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে মূলত সক্রিয় হিসাব বেড়েছে। এ সময় অনেক প্রার্থী মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার নির্বাচনী ব্যয় পরিচালনা করছেন। দ্রুততম সময়ে এক স্থান হতে অন্য স্থানে টাকা পাঠানোর অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম এখন মোবাইল ব্যাংকিং। বর্তমানে এ সেবা ব্যবহার করেই মানুষ তাদের পরিবার পরিজন ও আত্মীয়ের কাছে বেশি টাকা পাঠাচ্ছেন। এর মাধ্যমে ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, মার্চেন্ট পেমেন্ট, প্রবাসী আয় লেনদেন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেতনভাতা পরিশোধ করা হয়ে থাকে। তবে নভেম্বর মাসে কমেছে ইউটিলিটি বিল পরিশোধ ও সরকারি পেমেন্ট।

সুবিধাবঞ্চিতদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে ২০১০ সালে মোবাইল ব্যাংকিং চালুর অনুমতি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০১১ সালের মার্চে ডাচ-বাংলা ব্যাংক প্রথমবারের মতো দেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে। এ পর্যন্ত ২৮টি ব্যাংককে এই সেবা চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের অক্টোবরে এ সেবায় নিবন্ধিত গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৬৮ লাখ ১৪ হাজার, সেপ্টেম্বর মাসে যা ছিল ৬ কোটি ৬৭ লাখ ৪২ হাজার। ফলে এক মাসের ব্যবধানে গ্রাহক বেড়েছে ৭২ হাজার। চলতি বছরের মার্চে প্রথমবার মোবাইল ব্যাংকিংয়ের গ্রাহক সংখ্যা ৬ কোটি অতিক্রম করে। চলতি বছরের শুরু থেকেই এ সেবায় নিষ্ক্রিয় হিসাব সংখ্যা বাড়লেও নভেম্বরে কিছুটা কমেছে। বেড়েছে সক্রিয় হিসাবের সংখ্যা। এক মাসের ব্যবধানে মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে সক্রিয় হিসাবের সংখ্যা বেড়েছে ৩৫ লাখ। গত  নভেম্বরে সক্রিয় হিসাবের সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৪৯ লাখ ১৪ হাজার। নভেম্বর শেষে সক্রিয় হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার। সে হিসেবে এক মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ১১ শতাংশেরও বেশি।

নিয়ম অনুযায়ী, কোনো হিসাব থেকে টানা তিন মাস কোন ধরনের লেনদেন না হলে নিষ্ক্রিয় হিসাব হিসেবে বিবেচিত হয়। আর তিন মাসের মধ্যে একটি লেনদেন হলেও তা সক্রিয় হিসেবে বিবেচিত। অবশ্য বড় কোনো অনিয়ম না পাওয়া গেলে হিসাব বন্ধ করে না ব্যাংক। এদিকে, নভেম্বরে এ সেবায় মোট লেনদেন হয়েছে ৩২ হাজার ৪৭৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা। ওই মাসে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৪৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আগের মাস অক্টোবরে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৫ কোটি ৫১ লাখ টাকা। ফলে এক মাসের ব্যবধানে দৈনিক লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৪ দশমিক ২ শতাংশ।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads