• শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
পূর্ণাঙ্গ স্বর্ণ নীতিমালা ঘোষণা করা দরকার

ফাইল ছবি

ফিচার

পূর্ণাঙ্গ স্বর্ণ নীতিমালা ঘোষণা করা দরকার

  • প্রকাশিত ২৬ অক্টোবর ২০১৯

প্রথমে দৈনিক বাংলাদেশের খবরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই কারণে, স্বাধীনতা- পরবর্তী স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের নিয়ে কোনো জাতীয় পত্রিকা বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করছে। স্বর্ণ ব্যবসার একাল ও সেকাল নিয়ে বলতে গেলে অনেক বড় ইতিহাস আমাদের সামনে চলে আসবে। সমাজনীতি, অর্থনীতি অনেক কিছুই যুক্ত হবে এর সঙ্গে। শায়েস্তা খাঁর আমলে টাকায় ৮ মণ চাল পাওয়া যেত-এ কথা যেমন সত্য, দেশভাগের আগে ৫০-৬০ টাকায় পাওয়া যেত প্রতি ভরি স্বর্ণ। একাত্তর-পরবর্তী স্বাধীনতার পর সেই স্বর্ণের দাম এখন অধরা। প্রায় ৬০ হাজার টাকা প্রতি ভরি। তারপরও এ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছে এ দেশের লাখো পরিবার। কিন্তু স্বাধীনতা- পরবর্তী এত দিনেও তৈরি হলো না কোনো স্বর্ণ নীতিমালা যা আমাদের ব্যর্থতা বলা যায়। সে কারণে এ ব্যবসা সব সময় ঝুঁকির মধ্যে। নানা রকম সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে এ ব্যবসার মালিক ও শিল্পীদের। যার একমাত্র কারণ কোনো স্বর্ণ নীতিমালা আমাদের নাই।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে স্বর্ণ নীতিমালা প্রণয়নের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে ভরিপ্রতি ১ হাজার টাকা কর দেওয়ার মাধ্যমে সব স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে বৈধতার সুযোগ দিয়ে যাত্রা শুরু করেছেন। আগামী দিনে এ ব্যবসাকে পূর্ণাঙ্গ শিল্পে রূপান্তরের জন্য একটা বিরাট সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। আমরা প্রত্যাশা করি, বর্তমান সরকার দ্রুত একটা পূর্ণাঙ্গ স্বর্ণ নীতিমালা ঘোষণা করবে। কারণ এখন আমরা নিম্নআয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় নাম লেখাতে যাচ্ছি। সে জন্য স্বর্ণ নীতিমালা আমাদের জরুরি বিষয়।

এ নীতিমালায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা স্বর্ণ আমদানি থেকে স্বর্ণজাত দ্রব্য রপ্তানির সব পর্যায়ে নীতিগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। এতে করে স্বর্ণ চোরাচালান বন্ধসহ জাতীয় প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে আমরা একধাপ এগিয়ে যাব বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। কারণ স্বর্ণ এখন বিশ্ববাজারকে নিয়ন্ত্রণ করছে। আমাদেরও ওই তালিকায় যুক্ত হতে হবে। তবেই আসবে সমৃদ্ধি-তৈরি হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ। মুক্তবাজার অর্থনীতির কথা আমরা মুখে বলি। কিস্তু বাস্তবে তার প্রমাণ দিতে হবে। বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও স্বর্ণ ব্যবসার কালো মেঘ সরে গিয়ে তৈরি হোক সোনার বাংলাদেশ।

প্রথমে দৈনিক বাংলাদেশের খবরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই কারণে, স্বাধীনতা- পরবর্তী স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের নিয়ে কোনো জাতীয় পত্রিকা বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করছে। স্বর্ণ ব্যবসার একাল ও সেকাল নিয়ে বলতে গেলে অনেক বড় ইতিহাস আমাদের সামনে চলে আসবে। সমাজনীতি, অর্থনীতি অনেক কিছুই যুক্ত হবে এর সঙ্গে। শায়েস্তা খাঁর আমলে টাকায় ৮ মণ চাল পাওয়া যেত-এ কথা যেমন সত্য, দেশভাগের আগে ৫০-৬০ টাকায় পাওয়া যেত প্রতি ভরি স্বর্ণ। একাত্তর-পরবর্তী স্বাধীনতার পর সেই স্বর্ণের দাম এখন অধরা। প্রায় ৬০ হাজার টাকা প্রতি ভরি। তারপরও এ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছে এ দেশের লাখো পরিবার। কিন্তু স্বাধীনতা- পরবর্তী এত দিনেও তৈরি হলো না কোনো স্বর্ণ নীতিমালা যা আমাদের ব্যর্থতা বলা যায়। সে কারণে এ ব্যবসা সব সময় ঝুঁকির মধ্যে। নানা রকম সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে এ ব্যবসার মালিক ও শিল্পীদের। যার একমাত্র কারণ কোনো স্বর্ণ নীতিমালা আমাদের নাই।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে স্বর্ণ নীতিমালা প্রণয়নের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে ভরিপ্রতি ১ হাজার টাকা কর দেওয়ার মাধ্যমে সব স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে বৈধতার সুযোগ দিয়ে যাত্রা শুরু করেছেন। আগামী দিনে এ ব্যবসাকে পূর্ণাঙ্গ শিল্পে রূপান্তরের জন্য একটা বিরাট সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। আমরা প্রত্যাশা করি, বর্তমান সরকার দ্রুত একটা পূর্ণাঙ্গ স্বর্ণ নীতিমালা ঘোষণা করবে। কারণ এখন আমরা নিম্নআয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় নাম লেখাতে যাচ্ছি। সে জন্য স্বর্ণ নীতিমালা আমাদের জরুরি বিষয়।

এ নীতিমালায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা স্বর্ণ আমদানি থেকে স্বর্ণজাত দ্রব্য রপ্তানির সব পর্যায়ে নীতিগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। এতে করে স্বর্ণ চোরাচালান বন্ধসহ জাতীয় প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে আমরা একধাপ এগিয়ে যাব বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। কারণ স্বর্ণ এখন বিশ্ববাজারকে নিয়ন্ত্রণ করছে। আমাদেরও ওই তালিকায় যুক্ত হতে হবে। তবেই আসবে সমৃদ্ধি-তৈরি হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ। মুক্তবাজার অর্থনীতির কথা আমরা মুখে বলি। কিস্তু বাস্তবে তার প্রমাণ দিতে হবে। বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও স্বর্ণ ব্যবসার কালো মেঘ সরে গিয়ে তৈরি হোক সোনার বাংলাদেশ।

শংকর কর্মকার

লেখক : সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি, খুলনা জেলা শাখা 

লেখক : সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি, খুলনা জেলা শাখা  

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads