• মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫
ads
ড্রাগন ফল : স্টোর হাউজ অব ভিটামিন

সংগৃহীত ছবি

খাদ্য

ড্রাগন ফল : স্টোর হাউজ অব ভিটামিন

  • ফিচার ডেস্ক
  • প্রকাশিত ০৮ নভেম্বর ২০১৮

ড্রাগন আমাদের দেশীয় ফল নয়। অত্যন্ত পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ ফলটির প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলের সাদা বা লাল অংশে ২১ মিগ্রা ভিটামিন সি, ৩ গ্রাম আঁশ, জলীয় শতাংশ ৮৭ গ্রাম, প্রোটিন ১.১ গ্রাম, ফ্যাট ০.৪ গ্রাম (বলতে গেলে ফ্যাট নেই) এবং কার্বোহাইড্রেট ১১.০ গ্রাম পাওয়া যায়। প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে যে পরিমাণ ভিটামিন সি পাওয়া যায়, তা একটি কমলার সমান বা তিনটি গাজরের চেয়ে বেশি। এই ফলের কালো বীজে থাকে ল্যাক্সেটিভ ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, যা হজমে সাহায্য করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সহায়ক। এ ছাড়া রয়েছে প্রতি ১০০ গ্রাম ড্রাগন ফলে ০.০৪ মিগ্রা ভিটামিন বি ১, ০.০৫ মিগ্রা ভিটামিন বি-২, ০.০১৬ মিগ্রা ভিটামিন বি-৩, ১.৯ মিগ্রা আয়রন, ক্যালসিয়াম ৮.৫ মিগ্রা এবং ফসফরাস ২২.৫ মিগ্রা। এক কথায় ড্রাগন ফল হলো স্টোর হাউজ অব ভিটামিন। ক্যালোরি এবং ফ্যাট কিন্তু খুবই কম। তাই ডায়াবেটিস ও হূদরোগীরাও খেতে পারেন। শুধু তা-ই নয়, নিয়মিত ড্রাগন ফল খেলে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই এই ফল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অতি উত্তম। ড্রাগনে আয়রনের পরিমাণ বেশি থাকায় রক্ত শূন্যতায় এবং পানিশূন্যতায় খুবই কার্যকর। প্রচুর ফাইবার থাকায় পেটের পীড়া এবং লিভারের জন্যও উত্তম। ড্রাগন ফল দুই ধরনের, যথা— টক ও মিষ্টি স্বাদের। মিষ্টি স্বাদের ফলবিশিষ্ট ড্রাগন ফলের আবার তিনটি প্রজাতি রয়েছে— লাল ড্রাগন ফল বা পিটাইয়া। ফলের খোসার রং লাল, শাঁস সাদা। এই প্রজাতির ফল বেশি দেখা যায়। কোস্টারিকা ড্রাগন ফল। ফলের খোসা ও শাঁসের রঙ লাল। হলুদ ড্রাগন ফল। ফলের খোসা হলুদ রঙের ও শাঁসের রঙ সাদা। ড্রাগন ফল স্বাদে টক, এগুলো টক ড্রাগন ফল বা ‘গাওয়ার পিটাইয়া’ নামে পরিচিত। আমেরিকার উষ্ণ অঞ্চলে এগুলো পাওয়া যায়। খুব টক বলে মেক্সিকো ও আমেরিকার লোকেরা ওই ড্রাগন ফলের রসে বিভিন্ন শরবত তৈরি করে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads