• বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৯ ফাল্গুন ১৪২৪
ads
হাওরে সরকারি জলমহালে অবৈধ মাছ শিকার

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সরকার

হাওরে সরকারি জলমহালে অবৈধ মাছ শিকার

  • নেত্রকোনা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৫ জানুয়ারি ২০১৯

নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জের অন্তর্ভূক্ত একটি সরকারি জলমহালে দুই অবৈধভাবে লাখ লাখ টাকার মাছ শিকার করছে মৎস্যজীবী সমিতি কর্তৃপক্ষ ও এক ব্যাক্তি। এ জন্য আজ মঙ্গলবার নেত্রকোনা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই জলমহালে অভিযান চালিয়ে লাখ টাকার জাল জব্দ করা হয়েছে।

সরকারি এক চিঠিতে জানা যায়, নেত্রকোনার খালিয়াজুরী ও কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার অর্ন্তভ’ক্ত সুরমা মুলদাইর ও নাজিরপুর-মুরাদপুর স্থানের আন্ত:জেলা জলমহালটি ১৪২০ বাংলা সাল থেকে ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে ৬ বছরের জন্য লিজ দেওয়া হয়। লিজটি নেয় কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার রমানাথপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড কর্তৃপক্ষ। উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় লিজ নেওয়া এ জলমহালটির ইজারা মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার শেষের দু’বছরের ইজারা মূল্য প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর বৈশাখ মাসের আগেই জলামহালের ইজারার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে মাছ ধরার কথা। কিন্তু নিয়ম ভেঙে ওই সমিতি কর্তৃপক্ষ ও সমিতির ছত্রছায়ায় হবিগঞ্জের আজমীরীগঞ্জ উপজেলার নয়ানগর গ্রামের মৃত সুধীর চন্দ্র দাসের ছেলে সুদীপ্ত কুমার দাস এখানে দুইবছর ধরে লাখ লাখ টাকার মাছ আহরণ করে নিচ্ছে।

অবৈধভাবে এ মাছ আহরণ বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিতে খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিষয়ে জানতে রমানাথপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি নারায়ন দাস ও তার সহযোগী সুদীপ্ত কুমার দাসের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন ধরেননি।

খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ এইচ এম আরিফুল ইসলাম এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সম্প্রতি ওই চিঠিটি পেয়েছি। তাই আজ মঙ্গলবার জলমহালটিতে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আতিকুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ওই সমিতি কর্তৃপক্ষের লক্ষাধিক টাকার জাল জব্দ করা হয়েছে। এখানকার সরকারি রাজস্ব না পাওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাছাড়া রাজস্ব না দিয়ে মাছ আহরনের অপরাধে ইতিমধ্যে রমানাথপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে সার্টিফিকেট মামলাও হয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads