• সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
‘সংঘাত চাই না তবে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুতি রাখতে হবে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ছবি : সংগৃহীত

সরকার

‘সংঘাত চাই না তবে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুতি রাখতে হবে’

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ০৪ এপ্রিল ২০১৯

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে সেনাদের শান্তি মিশনে পাঠানোর আগে প্রশিক্ষণের তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে তিনি একথা বলেন। সকালে পরিদর্শন শেষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতবিনিময় অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। এসব পরিদর্শনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় নানা দিক-নির্দেশনা দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধ নয় শান্তি চায় বাংলাদেশ, তবে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব হুমকি বা আক্রমণ প্রতিহত করার প্রস্তুতি থাকতে হবে।

মিয়ানমারের সঙ্গে সংঘাত এড়িয়ে জাতিগত নিধনের শিকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাতৃভূমিতে ফেরাতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এটাই বলবো যেহেতু মিয়ানমার আমাদের একেবারেই প্রতিবেশী তাদের সঙ্গে কখনও সংঘাতে যাবো না। বরং আলোচনার মাধ্যমে তাদের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) যেন তারা ফিরিয়ে নিয়ে যায় সেই প্রচেষ্টাই আমাদের অব্যাহত থাকতে হবে এবং সেভাবে সকলে দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি বলেন, আমরা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি মানবিক কারণেই। মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা ঝগড়া বাঁধাতে যাইনি। আমরা আলোচনা করেছি, চুক্তি সম্পন্ন করেছি। তাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানো এটাই আমাদের লক্ষ্য।

১৯৭১ সালে পাক হানাদারদের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ভারতে আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশের শরণার্থীদের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের নিজেদের অভিজ্ঞতা আছে। ১৯৭১ সালে আমাদের ১ কোটি মানুষ শরণার্থী ছিল। কাজেই তাদের নিয়ে এসে পুনর্বাসন করতে হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা আমাদের আছে।

তিনি বলেন, ২০৩১ সালে মধ্যে উচ্চ মধ্যম এবং ২০৪১ সালে উচ্চ- আয়ের দেশে পরিণত হয়ে বাংলাদেশেকে মানব সম্পদ ও আর্থিক খাতে উদ্ভাবনী সংস্কার করতে হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads