• শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৫
ads
স্থানীয় সরকারের সকল পর্যায়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

সরকার

স্থানীয় সরকারের সকল পর্যায়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৭ জুন ২০১৯

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, জনগণের ক্ষমতায়ন আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে কিভাবে আরো আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রদান করা যায় তা নিয়ে আমরা কাজ করছি। সরকারের জেলা ভিত্তিক বাজেট প্রণয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে স্থানীয় সরকারের সকল পর্যায়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গভার্নেন্স এডভোকেসি ফোরাম আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ ও শক্তিশালী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সমূহের ভ‍ূমিকা’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির ভাষণে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

গভর্নেন্স এডভোকেসি ফোরামের চেয়ারপার্সন ও পিকেএসএফ এর চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গভার্নেন্স এডভোকেসি ফোরামের সমন্বয়কারী ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী। সেমিনারে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচিত প্রতিনিধি ছাড়াও সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন সংস্থার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট বেশকিছু উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা যে ভিশন ২০২১-এর কথা সে সময় বলেছিলাম, এখন তার দ্বারপ্রান্তে উপস্থিত হয়েছি। ইতিমধ্যে আমরা খুব সফলভাবে এমডিজির বিভিন্ন সূচক বাস্তবায়ন করেছি। এমডিজির এই অগ্রগতির ধারায় আমাদের সকল উন্নয়ন পরিকল্পনা আমরা ঢেলে সাজিয়েছি, যাতে ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি আমরা অর্জন করতে পারি।

মন্ত্রী আরো বলেন, উন্নয়নের এ ধারাকে এগিয়ে নিতে হলে এবং সকল নাগরিককে এর অংশীদার করতে হলে দেশের জনগণের সবচেয়ে কাছের প্রতিষ্ঠান স্থানীয় সরকারব্যবস্থা শক্তিশালী করার উপরে জোর দিতে হবে। ১৯৯৭ সালে ইউনিয়ন পরিষদে নারী সদস্যদের সরাসরি নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা নারীর ক্ষমতায়ন ও তৃণমূলে নারী নেতৃত্ব তৈরির ক্ষেত্রে এখনও ভূমিকা রেখে চলেছে। ১৯৯৮ সালে উপজেলা পরিষদ আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল, যা কিছু সংশোধনের পরে ২০০৯ সাল থেকে কার্যকর হয়েছে। ২০০০ সালে আমরাই প্রথম জেলা পরিষদ আইন প্রণয়ন করেছি, ২০১৬ সাল থেকে যেটি কার্যকর করা সম্ভব হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশ প্রতিটি স্থানীয় সরকারের জন্য সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন করা হয়েছে ২০০৯ সালে। ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিদের ভাতার পরিমাণ সম্মানজনকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে সকল স্থানীয় সরকারের স্তরগুলোতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিগত দশ বছরে স্থানীয় সরকারে নির্বাচনের এ ধারাবাহিকতা সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে।

তাজুল ইসলাম স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বলেন, স্থানীয় সরকারেরও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সদিচ্ছা, যোগ্যতা ও ক্ষতা নিয়ে কাজ করতে হবে। তাহলে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ প্রক্রিয়া আরো জোর‍ালো হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads