• রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
মেঝেতে রোগী রাখা হবে না, স্বজন প্রবেশেও থাকবে কড়াকড়ি

ছবি : সংগৃহীত

মহানগর

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট

মেঝেতে রোগী রাখা হবে না, স্বজন প্রবেশেও থাকবে কড়াকড়ি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৩ জুলাই ২০১৯

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের মতো মেঝেতে রেখে পোড়া রোগীদের চিকিৎসা দেবে না রাজধানীর চানখাঁরপুলে নির্মিত ৫০০ শয্যার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। একই সঙ্গে রোগীর স্বজনদের প্রবেশের ক্ষেত্রে আরোপ করা হবে কড়া বিধি নিষেধ। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের উপদেষ্টা অধ্যাপক সামন্ত লাল সেন এমনটাই জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পোড়া রোগীদের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার কথা ভেবে এসব ভাবা হয়েছে। কেননা, সংক্রমণের কারণে পোড়া রোগীদের মৃত্যুহার বেশি। একই সঙ্গে সময়মতো আরোগ্য লাভের ক্ষেত্রেও বাধা।

অধ্যাপক সামন্ত লাল সেন আরো বলেন, শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে রোগীদের পাশে যে কেউ ইচ্ছে করলেই যেতে পারবেন না। খুব কড়াকড়ি নিয়ম করা হবে। রোগীর সঙ্গে আইডি কার্ডধারী একজন স্বজন থাকবেন। আমাদের এটেনডেন্ট থাকবেন সহযোগিতার জন্য। যা খুশি তা নিয়ে যখন তখন কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

মেঝেতে রেখে চিকিৎসার বিষয়ে তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে যা করা হচ্ছে, তা না পেরে করা হচ্ছে। শয্যাই তো নেই। রোগীদের তো ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। কোথায় যাবে তারা। এজন্য মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় এনে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ৫০০ শয্যার করা হয়েছে। আইসিসিউ, এইচডিই-সবকিছু শয্যা বেশি থাকবে ইনস্টিটিউটে।

ইনস্টিটিউটের উপদেষ্টা অধ্যাপক সামন্ত লাল সেন বলেন, আমাদের উদ্দেশ রোগীকে মানসম্মত সেবা প্রদান করা। এতো বড় ইনস্টিটিউট, এত টাকা-শ্রম-ঘাম দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে শুধু মানসম্মত সেবা দেওয়ার জন্যই।

প্রসঙ্গত, বিশ্বের সবচেয়ে বড় শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সর্বাধুনিক সেবা পাবেন দগ্ধ রোগীরা। রোগীকে তাৎক্ষণিক সেবা দিতে রয়েছে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার। পুড়ে যাওয়া চামড়া প্রতিস্থাপনে থাকবে আন্তর্জাতিক মানের স্কিন ব্যাংক। জটিল ক্ষত নিরাময়ে দেশের প্রথম উন্ড কেয়ার সেন্টারে থাকবে অত্যাধুনিক স্টেম সেল থেরাপি।

এ ছাড়াও আহত ও দগ্ধ রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে আনতে ভবনের ছাদে রয়েছে হেলিপ্যাড। দুর্ঘটনায় বিচ্ছিন্ন অঙ্গ জোড়া লাগাতে আছে আধুনিক মাইক্রো সার্জারি ইউনিট। এ ছাড়া, ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্তদের অপারেশন পরবর্তী জটিলতা নিরসনে কাজ করবে আলাদা সার্জারি বিভাগ।

দেশে প্রতিবছর অগ্নিদগ্ধ হয় প্রায় ৬ লাখ মানুষ। শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ই্রনস্টিটিউটে মাত্র ৫ টাকার টিকেট কিনে সব ধরনের চিকিৎসা সুবিধা পাবেন এ ধরনের রোগী।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads