• শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৯, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
১০ লিটারে আধা লিটার তেল চুরি

ছবি : সংগৃহীত

মহানগর

১০ লিটারে আধা লিটার তেল চুরি

৪ পেট্রল পাম্পের বিরুদ্ধে মামলা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১৭ অক্টোবর ২০১৯

মাপে তেল কম দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর মিরপুর শাহ আলীবাগ এলাকার স্যাম অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেডের পেট্রল পাম্পটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে গতকাল বুধবার। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। প্রতিষ্ঠানটি এতদিন প্রতি ১০ লিটার তেলে প্রায় আধা লিটার কম দিয়ে আসছিল।

এছাড়া একই দিনে মহানগরীর উত্তরা ও গাজীপুর এলাকায় এ ধরনের আরো তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিএসটিআইয়ের অভিযানে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. রেজাউল করিমের নেতৃত্বে পরিদর্শক মো. লিয়াকত হোসেন ও মো. বিল্লাল হোসেন অংশ নেন।

রেজাউল করিম সাংবাদিকদের বলেন, স্যাম অ্যাসোসিয়েটসে এতদিন পুকুর চুরি হচ্ছিল। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিদিন গড়ে আনুমানিক ৩৬ হাজার লিটার পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রি করে থাকে। এর চারটি ডিজেল ডিসপেন্সিং ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে যথাক্রমে ৫৪০ মিলি লিটার, ৫৩০ মিলি লিটার, ৫২০ মিলি লিটার ও ৫০০ মিলি লিটার তেল কম দেওয়া হচ্ছিল। আরো দুটি অকটেন ডিসপেন্সিং ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে ৪৪০ মিলি লিটার ও ৪১০ মিলি লিটার অকটেন কম দেওয়া হতো। এছাড়া দুটি পেট্রল ডিসপেন্সিং ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে ৪৬০ মিলি লিটার ও ৪৭০ মিলি লিটার পেট্রোল কম দেওয়া হতো।

অন্যদিকে, অপর তিনটি অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উত্তরার কসমো ফিলিং স্টেশন দুটি অকটেন ডিসপেন্সিং ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে ১৪০ মিলি লিটার অকটেন ও চারটি ডিজেল ডিসপেন্সিং ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে যথাক্রমে ১৫০ মিলি লিটার, ১২০ মিলি লিটার, ১৯০ মিলি লিটার ও ২০০ মিলি লিটার ডিজেল কম দিয়ে আসছিল। একই প্রতিষ্ঠান দুটি সুপারটেক ও দুটি হাইটেক ডিসপেন্সিং ইউনিট অবৈধভাবে বিএসটিআইয়ের সিল ব্যবহার করে আসছে।

এছাড়া উত্তরার তুরাগ এলাকার লতিফ অ্যান্ড কোং ফিলিং স্টেশন অকটেন ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে ৩১০ মিলি লিটার এবং দুটি ডিজেল ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে ১৬০ মিলি লিটার ও ১৭০ মিলি লিটার তেল কম দেয়। গাজীপুরের চন্দ্রা এলাকার মুন স্টার ফিলিং স্টেশনের একটি অকটেন ও একটি ডিজেল ইউনিটে প্রতি ১০ লিটারে ৬০ মিলি লিটার ও ৭০ মিলি লিটার তেল কম দেয় এবং চারটি গিলবার্কো ডিসপেন্সিং ইউনিট বিএসটিআইয়ের সিল অবৈধভাবে ব্যবহার করে আসছে। এ ধরনের কার্যক্রমে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন লঙ্ঘন হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একই আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads