• শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারি ২০১৯, ৫ মাঘ ১৪২৪, 1 Djumada l-Ula 1439
BK

ড্রাগন ফলে লাভ বেশি, বাড়ছে আবাদ   

নীলফামারীতে অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে শুরু করেছেন ড্রাগন ফলের আবাদ। অন্যান্য ফসলের চেয়ে এর আবাদ লাভজনক হওয়ায় এরই মধ্যে জেলায় ব্যক্তিউদ্যোগে আটটি বাগান গড়ে উঠেছে। সফলতা পেয়ে অনেকে বাগানের আকার বাড়াচ্ছেন।

জেলার সোনারায় ইউনিয়নের খাটুরিয়া গ্রামের রিয়াসত করিম ২০ বছর ধরে কৃষি কাজ করছেন। তিনি ২০১৬ সালে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ প্রজনন বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আশিষ কুমার সাহার মাধ্যমে ড্রাগন চাষে উদ্বুদ্ধ হন। এরপর ইণ্টারনেটের মাধ্যমে এই ফল চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে যশোরের চৌগাছা থেকে চারা সংগ্রহ করে দেড় বিঘা জমিতে রোপণ করেন। এক বছরের মধ্যে তিনি তিন লাখ টাকার বেশি ফল বিক্রি করেন। সফলতা পেয়ে তিনি তার বাগান আরো নয় বিঘা জমিতে বাড়ান।

তিনি বলেন, ‘দেড় বিঘা জমিতে বাগান করতে খরচ হয় ছয় লাখ টাকা। প্রথম বছর তিন লাখ টাকার বেশি ফল বেচি। প্রতিবছিই এর ফলন বাড়বে। একটি বাগান থেকে অন্তত ১০ বছর ফল পাওয়া যাবে।’  

নীলফামারী কৃষি সম্পসারণ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কেরামত আলী বলেন, ‘অন্যান্য ফসলের চেয়ে ড্রাগন ফলের আবাদ লাভজনক। চারা রোপনের এক বছরের মধ্যে ফল আসতে শুরু করে।নীলফামারী জেলায় ব্যক্তিউদ্যোগে আটটি বাগান গড়ে উঠেছে। সফলতার পর অনেকে বাগানের পরিধি বাড়াচ্ছেন। প্রতি বছর এক বিঘা জমিতে দুই লাখ টাকার বেশি আয় করা সম্ভব। পর্যায়ক্রম এই আয় আরো বাড়তে থাকবে।’