• শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৭ সফর ১৪৩৯
BK

চিকিৎসা বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপন নিয়ে রুল

ফাইল ফটো

চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না- জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০০৮-এর-৩ বিধি অনুসারে প্রতিটি প্রশাসনিক বিভাগে কেন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েও রুল জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ গঠনের বিষয়ে একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন হলফনামা আকারে আগামী ২২ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছে। শুনানির জন্য ২৬ জুলাই দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

বন ও পরিবেশ সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, পরিবেশ ও বন অধিদফতরের মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, পরিবেশ ও বন অধিদফতরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপপরিচালক ও বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির মহাসচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দ মহিদুল কবির। সরকারপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট ও সাংবাদিক আহমেদ আল আমীন জনস্বার্থে এ রিট করেন।

এর আগে ৪ ফেব্রুয়ারি একটি ইংরেজি দৈনিকে ‘হ্যাজার্ডাস ওয়েস্ট হিপড ইন ওপেন বিনস’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, চট্টগ্রাম শহরে বিভিন্ন হাসপাতালের বর্জ্য উন্মুক্ত স্থানে ফেলে রাখায় স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে চট্টগ্রামের বেশিরভাগ হাসপাতালে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১৪ ফেব্রুয়ারি রিট আবেদনকারী আহমেদ আল আমীন সংশ্লিষ্টদের একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। নির্ধারিত সময়েও নোটিশের কোনো জবাব না পাওয়ায় ১ এপ্রিল তিনি রিট দায়ের করেন।