• সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪, ১৩ মহররম ১৪৪০
BK

‘চেষ্টা করি সেরাটা দিতে’

সংগৃহীত

২০১৪ সালে গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসের পর গোল্ড কোস্টে বাংলাদেশকে পদক এনে দিলেন শুটার আবদুল্লাহ হেল বাকী। বন্দুক-গুলির নিশানার খেলায় লক্ষ্য ভেদ করে বৈশ্বিক মঞ্চে তুলে ধরলেন বাংলাদেশের পতাকা।

ফাইনালের দ্বিতীয় পর্যায়ে এলিমিনেশন পর্বে প্রথম পাঁচ রাউন্ডে সোনা জেতা স্যাম্পসনের চেয়ে মোট স্কোরে এগিয়ে ছিলেন বাকী। ষষ্ঠ রাউন্ডের দুই শটে ৯.৫ ও ১০.৩ স্কোর করেন তিনি। আর ওই রাউন্ডে স্যাম্পসন স্কোর করেন ১০.৪ ও ১০.০। ফলে অস্ট্রেলিয়ান শুটারের কাছে ০.৫ পয়েন্ট পিছিয়ে পড়েন তিনি। শেষ রাউন্ডে দুই শটে ১০.৪ ও ৯.৭ স্কোর করেও সেই ব্যবধান আর ঘোচাতে পারেননি তিনি।

শেষ রাউন্ডের শেষ শট নিয়ে বাকী বলেন, ‘চিন্তা ছিল একটাই, শটটা যতটা পারফেক্ট করা যায়। যদিও ওর (স্যাম্পসন) লাস্ট শটটা ভুলবশত আমি দেখে ফেলেছিলাম। সেটাই আমার মাথায় ঘুরছিল। তবুও চেষ্টা করেছিলাম।’

কমনওয়েলথ গেমসের দলে জায়গা করে নিতে অনেক লড়াই করতে হয়েছে বাকীকে। ফাইনালে দারুণ খেলে খুব কাছে গিয়েও শেষ পর্যন্ত সোনা জেতা হলো না তার, ‘১০ মিটারই আমার খেলার কথা ছিল না। অনেক কষ্ট করার পর, পারফরম্যান্স দেখানোর পর নির্বাচিত হয়েছি। সব কিছু মিলিয়ে একটা চাপ ছিল। এরপরও চেষ্টা করেছিলাম নিজের সেরাটা দিতে। এখানে অনেক শক্তিশালী প্রতিযোগী ছিল। অস্ট্রেলিয়ানরা বেশ শক্তিশালী, ব্রিটিশরাও। ভারত তো আছেই। এর ওপর আমি গতবার রুপা জিতেছিলাম।’

চাপ নিয়ে খেলেও নিজের ওপর বিশ্বাস ছিল বলে জানান তিনি, ‘আসলে আমি সব সময় চেষ্টা করি নির্দিষ্ট দিনে নিজের সেরা পারফরম্যান্সটা দিতে। দিনটা যাতে আমার হয়। আমার এভারেজ স্কোর যেটা হয় সেটা এখানে হলে আমি জানতাম, আমি একটা ভালো ফল করতে পারব।’

কমনওয়েলথ গেমসের ইতিহাসে সব মিলিয়ে সপ্তম পদক জিতল বাংলাদেশ। আগের ছয়টি পদকও শুটিং থেকে আসা। এর মধ্যে সোনা রয়েছে দুটি।