• বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
BK

আজ সাকিবদের প্রতিপক্ষ প্রীতি জিনতার পাঞ্জাব

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) একাদশতম আসরে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচ খেলতে মাঠে নামবে সাকিব আল হাসানের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। প্রতিপক্ষ বলিউড অভিনেতী প্রীতি জিনতার কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। চণ্ডীগড়ে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়।

বল টেম্পারিং ইস্যুতে ছিটকে যান দলের নিয়মিত অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। কিন্তু এর প্রভাব পড়েনি অরেঞ্জ আর্মিদের মাঠের পারফরম্যান্সে। এই আসরের নতুন অধিনায়ক নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসনের অধীনে সময়টা বেশ ভালো যাচ্ছে হায়দরাবাদের।

টানা তিন ম্যাচ জিতে ছয় পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষ আছে সানরাইজার্স। অন্যবারের মতো এই আসরেও ব্যাট-বল দুই বিভাগেই জ্বলে উঠেছেন সাকিব। আগের ম্যাচে কলকাতার বিপক্ষেও করেছিলেন ম্যাচসেরা হওয়ার মতো পারফরম্যান্স। বল হাতে কলকাতার ক্রিস লিন ও সুনীল নারিনের উইকেট শিকারের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়ে নিয়েছেন দুটি ক্যাচ। এ ছাড়া ব্যাট হাতে এক ছয় ও দুই চারে ২১ বলে ২৭ রানের ইনিংস খেলেন সাকিব। তার অলরাউন্ডিং নৈপুণ্যে কলকাতার বিপক্ষে ৫ উইকেটের জয় পায় হায়দরাবাদ।

এ মৌসুমে তিন ম্যাচের সবগুলোতে সাকিবকে একাদশে রেখে মাঠে নামে ২০১৬ সালের চ্যাম্পিয়নরা। তিন ম্যাচে শিকার করেছেন ৫ উইকেট। দুই ম্যাচে ব্যাট হাতে নেমে করেছেন ৩৯ রান। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে এ পর্যন্ত ৪৬ ম্যাচ খেলেছেন বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। রান করেছেন ৫৩৭ রান। সর্বোচ্চ অপরাজিত ৬৬। হাফসেঞ্চুরি আছে দুটি। এ ছাড়া বল হাতে ৭.১২ ইকোনমিতে উইকেট নিয়েছেন ৪৮টি।

২০১১ সালে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) অভিষেক হয় সাকিব আল হাসানের। শাহরুখ খানের দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সিতে মাঠ মাতান বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। এরপর থেকে কলকাতার দলটির ঘরের ছেলে হয়ে গিয়েছিলেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার। এরপর ২০১৭ সাল পর্যন্ত নাইট রাইডার্সের হয়ে সাত বছরে ৬টি আইপিএল খেলেছেন সাকিব। ২০১২ ও ২০১৪ মৌসুমে কলকাতার শিরোপা জয়ের পথে ব্যাট-বল দুই বিভাগেই বড় অবদান রাখেন তিনি।

কিন্তু এবারের আসরে তাকে দলে রাখেনি পশ্চিম বাংলার দলটি। নিলামে এলিট প্যানেল থেকে সাকিবকে দলে ভেড়ায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। নতুন ক্লাবের হয়ে পার করেছেন এক সপ্তাহেরও বেশি। খেলেছেন ৩টি ম্যাচ। উইকেট নিয়েছেন ৫টি। প্রথম ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ না পেলেও দুই ম্যাচে ৩৯ রান করেন তিনি। আফগানিস্তানের রশিদ খানের সঙ্গে অরেঞ্জ আর্মিদের স্পিন আক্রমণে অন্যতম ভরসার নাম সাকিব।