• রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
BK

কামালের দায়মুক্তি

নিষেধাজ্ঞা দেয়ার একদিনের মাথায় টাকা ফেরত দিলেন বাংলাদেশ হকি দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় রফিকুল ইসলাম কামাল। হকি ফেডারেশনের ব্যাংক একাউন্টে পাওনা ৭৪ হাজার টাকা জমা দেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও ম্যানেজার। ফলে ফেডারেশনের আগের ঘোষণা অনুযায়ী, কামালের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা কেটে গেলো। 

এর আগে বুধবার কার্যনির্বাহী সভায় তাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল চার বছর আগে অনুষ্ঠিত হওয়া জাতীয় স্কুল হকি টুর্নামেন্টে ফেডারেশনের দেওয়া বাজেটের ৭৪ হাজার টাকার হিসেব না দেওয়া। সেবার এই টুর্নামেন্টের ভেন্যু ম্যানেজার ছিলেন তিনি। এজন্য বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের কার্যনির্বহী কমিটির সভায় তাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

চার বছর আগের সেই টুর্নামেন্টে ফেডারেশনের দেওয়া বাজেটের ৭৪ হাজার টাকার হিসেবও দেননি সাবেক এই তারকা। তাকে একাধিকবার চিঠির মাধ্যমে তাগাদা দেওয়া হয়েছিল। তারপরও কামাল টাকা ফেরত দেননি বা সমন্ময় করেননি।

বুধবার বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ফ্যালকন হলে ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাদেক গণমাধ্যমকে কামালকে নিষিদ্ধের কথা জনান, ‘অনেক দিন ধরে এটা ঝুলে আছে। আমরা তাগাদা দিয়েও কোনো সাড়া পাইনি কামালের কাছ থেকে। বাধ্য হয়েই আমাদের এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।’

নিষেধজ্ঞাটি বেশ কঠোর। টাকা পরিশোধ কিংবা হিসেব না দেওয়া পর্যন্ত মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে ঢুকতে পারবেন না বলেও জানিয়েছিলেন হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক, ‘যতদিন পর্যন্ত টাকাটা ফেরত না দেবে, ততদিন পর্যন্ত বাংলাদেশ হকির সকল কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ থাকবে সে। এমনকি কামাল মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামেও ঢুকতে পারবে না’।

ওই দিন রাতে মুঠো ফোনে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে কামাল জানিয়েছিলেন তিনি টাকা ফেরত দিয়ে দেবেন। সেই মাফিক গতকাল বিকেলে হকি ফেডারেশনের ব্যাংক একাউন্টে ৭৪ হাজার টাকা জমা দেন তিনি। যদিও এ ব্যাপারে গণমাধ্যমকে আর কিছু জানাননি তিনি। আর মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও রফিকুল ইসলাম কামালকে পাওয়া যায়নি। পাওনা টাকা ফেরতের ফলে নিষেধাজ্ঞা কেটে যাওয়ায় অনেকের মতো দায়মুক্তি হয়েছে রফিকুল ইসলাম কামালের।