• বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪, ৯ মহররম ১৪৪০
BK

পিএসজির টানা চতুর্থ ফাইনাল

আফসোস করতেই পারেন নেইমার। তাকে ছাড়াই দূর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলছে তাঁর বর্তমান ক্লাব পিএসজি। এই তো মাত্র তিনদিন আগে চিরপ্রতিদ্বিন্দ্বি মোনাকোকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট লিগ ওয়ানের শিরোপা উৎসব করলো পিএসজি। সেই রেশ কাটতে না কাটতে আরো একটি শিরোপার খুব কাছে চলে গেছে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা।

বুধবার রাতে দশজনের কাঁকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো ফরাসি কাপের ফাইনালে উঠলো পিএসজি। জোড়া গোল করেছেন ফরাসি স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপে। পিএসজি’র হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন ক্রিস্টোফার এনকুনকু। কঁকের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন ইসমাইল দিওমান্দে। আগামী ৮ মে, শিরোপার লড়াইয়ে তৃতীয় এবং রেকর্ড এগারবারের চ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ ফ্রান্সের তৃতীয় লিগের ক্লাব লেঁ হাঁভিয়ে।

বুধবার রাতে প্রতিপক্ষের মাঠ সিটি অব কাঁ-এ আতিথ্য নেয় পিএসজি। শুরু থেকে আক্রমণাত্ব ছিলো ফরাসি জায়ান্টরা। পুরো ম্যাচে দারুণ আধিপত্য ছিলো ফরাসি জায়ান্টদের। বল দখলে ছিলো ৭২ ভাগ। গোলমুখে তারা শট নেয় আটটি। আর কর্নার আদায় করে মোট ১১টি।

এর ফলও পায় তারা। ম্যাচের ২৫ মিনিটে এগিয়ে যায় পিএসজি। প্রতিপক্ষে ডি-বক্সে ভেতর থ্রু পাস দেন আর্জেন্টাইন তারকা অ্যাঞ্জল ডি মারিয়া। ফাঁকা জায়গায় বল পেয়েও ঠিক মতো শট নিতে পারেননি উরুগুয়েন তারকা এডিনসন কাভানি। বল গোলরক্ষককে ফাঁকি দিলেও চলে যাচ্ছিল পোস্টের বাইরে। ছুটে গিয়ে ফাঁকা জালে লক্ষ্যভেদ করেন এমবাপে (১-০)।

ম্যাচের ৪৩তম মিনিটে ভাগ্যের জোরে গোল পেয়ে সমতায় ফেরে কাঁ। মিডফিল্ডার ইসমাইল দিওমান্দের শট, ফরাসি মিডফিল্ডার আদ্রিওঁ রাবিওর পায়ে লেগে দিক পাল্টে বল জালে জড়ায়। পিএসজির জার্মান গোলরক্ষক কেভিন ট্রাফ ঝাঁপিয়ে পড়ে বলে হাত ছোঁয়াতে পারলেও আটকাতে পারেননি। ফলে ১-১ এর সমতায় ফেরে স্বাগকিতরা।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে গোলের দেখা পেয়েছিলেন পিএসজির উরুগুয়েন তারকা এডিনসন কাভানি। কিন্তু ভিডিও রিপ্লে দেখে ডি মারিয়া অফসাইডে থাকায় গোলটি বাতিল করে দেন ম্যাচের রেফারি।

৮১তম মিনিটে সংঘবদ্ধ দারুণ এক আক্রমণে আরো (২-১) এগিয়ে যায় পিএসজি। ডি মারিয়া ব্যাকহিলে বল বাড়ান কাভানির কাছে। ছয় গজের বক্সের মুখে বল পেয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এমবাপে।

যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে আর্জেন্টিনার জাভিয়েল পাস্তোরেকে ফাউল করায় লাল কার্ড দেখেন কাঁ’র গোলদাতা দিওমান্দ। ফলে বাকি সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় দলটিকে। এর চার মিনিট পর ডানি আলভেসের পাস পেয়ে বাঁকানো শটে পিএসজির জয় নিশ্চিত করেন আগের মিনিটেই বদলি হিসেবে নামা ফরাসি মিডফিল্ডার ক্রিস্টোফার এনকুনকু। এতে ৩-১ গোলের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত হয় পিএসজির।