• বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৮, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
BK

টি-টোয়েন্টিতে সাকিবের ‘ডাবল’

ছবি : সংগৃহীত

দুই ম্যাচ ধরে ঝুলে ছিলেন একটি উইকেটের জন্য। অবশেষে অপেক্ষাটা ফুরাল সাকিব আল হাসানের। মুম্বাইয়ের অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে আউট করে এলো আরাধ্য মুহূর্ত, টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় বোলার হিসেবে ৩০০ উইকেট দখলে এলো সাকিবের। সেই সঙ্গে ৪০০০ রানও হলো তার। তার এই ‘ডাবল’ রেকর্ডের দিনে জিতেছে দল। মোস্তাফিজুর রহমানের মুম্বাই ইন্ডিয়ানসকে ৩১ রানে হারিয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১১৮ রানের পুঁজি পায় টম মুডির শিষ্যরা। জবাবে মাত্র ৮৭ রানে অলআউট হয় মুম্বাই।

মঙ্গলবার ছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের আইকন শচীন টেন্ডুলকারের জন্মদিন। তাই ঘরের মাঠে দলটির সাবেক অধিনায়ককে জয় উপহার দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে খেলতে নামে মুম্বাই। শুরুটাও হয়েছিল মনের মতো। টস জিতে বোলিং নিয়েছিলেন মুম্বাইয়ের অধিনায়ক রোহিত শর্মা।

শুরু থেকেই সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণ করতে থাকেন বুমরা-মোস্তাফিজরা। হায়দরাবাদের অধিনায়ক উইলিয়ামসন নিজে ফর্মে ছিলেন, কিন্তু অন্যদিকের সবাই ছিলেন আসা-যাওয়ার মধ্যে। ৪৪ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর সাকিব যখন মাঠে নেমেছেন তখন রান আউট হয়ে সাকিব ফিরে গেছেন প্যাভিলিয়নে।

সানরাইজার্সের হোঁচট অবশ্য থামেনি। উইলিয়ামনস ২১ বলে ২৯ রান করে ফিরে যান। মোস্তাফিজ প্রথম ওভারে দেন ৭ রান, পরের ওভারে দিয়েছেন মাত্র ১ রান। এবারো শেষ দিকের ওভারের জন্যই তার ওপর ভরসা রেখেছেন অধিনায়ক। তবে কাজটা তুলনামূলক সহজ ছিল, ১৫ ওভারের মধ্যেই ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল হায়দরাবাদ। নিজের চতুর্থ ওভারে এসে প্রথম উইকেট পেয়েছেন মোস্তাফিজ, পুল করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন ইউসুফ পাঠান। ৩.৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ১ উইকেট পেয়েছেন কাটার মাস্টার। হায়দরাবাদ ১৮.৪ ওভারেই অলআউট ১১৮ রানে।

এই রান টপকাতে গিয়ে হোঁচট খায় মুম্বাই। ষষ্ঠ ওভারে সাকিব যখন বল করতে এলেন, ততক্ষণে দুই উইকেট হারিয়ে ফেলেছে মুম্বাই। সাকিবের প্রথম বলে ১ রান। পরের বলটা অফ স্টাম্পের বাইরে, রোহিত ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু টার্ন করা বলটা চলে যায় স্লিপে, ক্যাচ ধরতে ভুল করেননি ধাওয়ান। সাকিব পেয়ে যান ৩০০ উইকেট।

আর উইকেট না পেলেও ৩ ওভারে দিয়েছেন ১৬ রান। শেষ পর্যন্ত ১৮.৫ ওভারে ৮৭ রানে অলআউট হয়ে যায় মুম্বাই। ছয় ম্যাচে এ নিয়ে পঞ্চম হার মুম্বাইয়ের। আর সমান ম্যাচে এটি হায়দরাবাদের চতুর্থ জয়।