• সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
BK

ভারত-পাকিস্তানের যেীথ সামরিক মহড়া

ছবি: ইন্টারনেট

একসঙ্গে সামরিক মহড়ায় অংশ নিচ্ছে দুই বৈরী প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তান। সাংহাই সহযোগিতা সংগঠনের (এসসিও) কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী আগস্টে শুরু হবে এই যৌথ সামরিক মহড়া। এক্সপ্রেস ইউকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগেও এসসিও এর মহড়ায় ভারত ও পাকিস্তানের উপস্থিতি ছিল। কিন্তু সক্রিয়ভাবে এটাই দু’দেশের প্রথম যৌথ সেনা মহড়া।

রাশিয়ার উড়াল পর্বত এলাকায় আয়োজিত বহুজাতিক এই মহড়ায় আরো রাশিয়া ও চীনসহ অংশ নেবে ৮টি দেশ। এদিক থেকে দেখলে ভারত এবার তার প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় অংশ নিচ্ছে। ‘পিস মিশন-২০১৮’ শীর্ষক এবারের মহড়ায় প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বৈশ্বিক জঙ্গি-সন্ত্রাস মোকাবেলা ইস্যুকে। আগস্টে শুরু হয়ে সেপ্টেম্বরে শেষ হবে এই মহড়া।

ভারতীয় ও পাকিস্তানের গণমাধ্যমে বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এ বিষয়ে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারাম মঙ্গলবার বলেছেন, বহুজাতিক এই সামরিক মহড়ায় অংশ নিচ্ছি আমরা। যে ইস্যুতে এবারের মহড়া অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সে বিষয়টিকেই আমরা প্রাধান্য দিচ্ছি। প্রতিবেশী দেশগুলোসহ এসসিও এর অংশীদার অন্য দেশগুলোর সঙ্গে মিলে আমরাই বৈশ্বিকভাবে জঙ্গি, সন্ত্রাস, মাদক পাচার, সাইবার নিরাপত্তা বিষয়টি মোকাবেলা করব। বছর এই সংস্থার পূর্ণ অংশীদার হয় ভারত ও পাকিস্তান। ২০১৭-এর জুনে অনুষ্ঠিত ওই যৌথ সামরিক মহড়াতেও ভারত-পাকিস্তানের উপস্থিতি ছিল। সেবার কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনের পরই ওই যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এ ছাড়া ভারত ও পাকিস্তানের সেনারা এর আগে একসঙ্গে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করেছেন।

চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, তাজিকিস্তান ও কিরগিজস্তানের উদ্যোগে ২০০১ সালে এসসিও গঠিত হওয়ার পর প্রতি দু’বছরে এই ‘পিস মিশন’ মহড়ার আয়োজন করা হয়ে থাকে। এবার পঞ্চম এসসিও যৌথ সেনা মহড়া অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এসসিওর মোট আট সদস্যের বাকি তিন দেশ হলো- ভারত, পাকিস্তান ও উজবেকিস্তান। এ ছাড়া আরো চারটি দেশ রয়েছে পর্যবেক্ষক হিসেবে এবং ছয়টি দেশ রয়েছে সংলাপের অংশীদার হিসেবে।