• বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
BK

মনে মনে ওরা মেয়েটাকে রেপ করল : নচিকেতা

মেট্রোতে একে অপরকে আলিঙ্গনের ঘটনায় ক্রোধের ঝড় এখনো থামেনি। বরং প্রতিবাদের ঢেউ আরো তীব্র হয়েছে। হতবাক হওয়া তো এখনও অনেকটাই বাকি! শহরের গণ্ডি ছাপিয়ে তা পড়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। তথাকথিত আধুনিক সময়ে দাঁড়িয়ে এখনো এভাবে লাঞ্ছনা-গঞ্জনা-মারধরের শিকার হতে হবে? শুধুমাত্র একে অপরের প্রতি ভালবাসা প্রকাশের জন্য?  নীতি পুলিশের চোখরাঙানি এড়িয়ে যাওয়া কি সহজ? এ কোন সময়ের মাঝে দাঁড়িয়ে আমরা? মেট্রোতে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে দাঁড়িয়ে থাকার ‘অপরাধে’ সোমবার গণপ্রহার জুটেছে শহরের এক যুগলের। ফেসবুক লাইভে এসে সে ঘটনার প্রসঙ্গে মন খুলে নিজের মতামত দিলেন নচিকেতা। আর এই যাত্রায় তার সঙ্গী হয়েছেন অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং উজ্জ্বল চক্রবর্তী।

ক্ষুব্ধ নচিকেতা আনন্দবাজারকে বলেন, ‘আসলে এটা যৌন ঈর্ষার বহিঃপ্রকাশ। এই মানুষদের বয়কট করুন প্রতিবেশীরা। তাদের জানানো হোক, আপনি একটি পবিত্র অনুভূতিকে নষ্ট করেছেন।’ ভবিষ্যৎ সময়ের দিকে তাকিয়ে ওই মানুষদের প্রতি নচিকেতার পরামর্শ, ‘নিজেদের সংশোধন করুন। কারণ, যে তালিবানেরা বুদ্ধ মূর্তি ভেঙেছিল, তাদের থেকে খুব কম অপরাধ নয় এটা।’

কিন্তু, কেন এ রকম ঘটনা ঘটল? নচিকেতার মতে, ‘আসলে ওরা (ওই যুগল) দুর্বল ছিল। ওই ছেলেটার কোমরেই যদি পিস্তল গোঁজা থাকত... তা হলে...? না! তা হলে বোধহয় এ রকম ঘটনা ঘটত না। উল্টে ওই মানুষেরাই দৌড়ে পালাত।’ এটা আসলে ক্ষমতার জোর দেখানোর ফল। এটাই আসলে এক ধরনের মৌলবাদ। এর একটা যোগ্য জবাব দেওয়া উচিত।’ তার কথায়, ‘যে মানুষেরা ওই মেয়েটির গায়ে হাত দিল, তারা আসলে মারল না। আসলে ওই মেয়েটিকে ওরা মনে মনে রেপ করল। সেটা মার হয়ে বেরোল। এই প্রত্যেকটা লোক আসলে রেপিস্ট। ওদের খুজে বের করে থানায় নিয়ে আসা উচিত।’