• শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪, ১১ মহররম ১৪৪০
BK

ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক বহিষ্কার

ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক বহিষ্কার
টাইমস মিডিয়া

ভেনেজুয়েলার সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক ও তার সহকারীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শীর্ষ কূটনীতিক টড রবিনসন এবং সহযোগী ব্রিয়ান নারানজোকে ভেনেজুয়েলা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে টাইমস মিডিয়া।

টেলিভিশনে এক ভাষণে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো বলেন, ‘সাম্রাজ্য এখানে আমাদের শাসন করে না। আমরা অনেক ষড়যন্ত্র সহ্য করেছি। ভেনেজুয়েলা একটি স্বাধীন, সার্বভৌম দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস আমাকে উৎখাতের জন্য সেনাবাহিনী, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করেছিল।’ গত রোববার ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় দফায় মাদুরো জয়লাভ করলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপড়েন সৃষ্টি হয়। রোববারের নির্বাচনকে হোয়াইট হাউজ এবং অন্যান্যরা ‘মিথ্যা’ নির্বাচন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হেথার নুয়ার্ট সাংবাদিকদের জানান, মিথ্যে অভিযোগ এনে কূটনীতিকদের বহিষ্কার করা হয়েছে ভেনেজুয়েলা থেকে। এদিকে ভেনেজুয়েলার নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে দেশটির তেল সম্পদ ক্রয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এমন নিষেধাজ্ঞাকে বর্বর, পাগলামি এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি বলে উল্লেখ করেন ভেনেজুয়েলার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ আরিয়েজা।

ভাষণে মাদুরো কূটনীতিক রবিনসন এবং নারানজোকে ভেনেজুয়েলায় সিআইএ’র দায়িত্বপ্রাপ্ত বলেন। এ ছাড়াও এই দুই কূটনীতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উসকানি এবং সহায়তা দেন এমন অভিযোগও করেন মাদুরো। দেশটিতে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং দুর্নীতির কারণে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধী দলগুলো আন্দোলন চালিয়ে আসছে। এমনকি প্রধান বিরোধী দলগুলো সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বয়কট করেছিল। তবে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৯০ শতাংশ ভোটার অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে মাদুরোর বাক্সে পড়ে ৬৭ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট এবং বিরোধীদলীয় প্রার্থী হেনরি ফ্যালকনের বাক্সে পড়ে ২১ দশমিক ২ শতাংশ ভোট।