• শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪, ১১ মহররম ১৪৪০
BK
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর

অমীমাংসিত বিষয়গুলোর অগ্রগতি জানতে চায় বিএনপি

অমীমাংসিত বিষয়গুলোর অগ্রগতি জানতে চায় বিএনপি
সংরক্ষিত ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে তিস্তার পানি বণ্টনসহ দুই দেশের অমীমাংসিত বিষয়গুলোর অগ্রগতি কতদূর, তা জানতে চেয়েছে বিএনপি। 

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গেছেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবন নির্মাণ করেছে- অত্যন্ত ভালো কথা। সেই সঙ্গে আমাদের প্রশ্ন, জনগণের প্রশ্ন- ভারতের কাছে যে পাওনাগুলো রয়েছে, সমস্যাগুলো রয়েছে সেই সমস্যাগুলো সম্পর্কে তিনি কথা বলছেন কি না।’

শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীতে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটিয়ে বিশ্বের কাছে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ‘মডেল’ হিসেবে আবির্ভূত হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও তার বক্তব্যে বলেছেন, ভারত ও বাংলাদেশ যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, পরস্পরের বিকাশে সহযোগিতা করছে, তা অন্যদের জন্যও একটি শিক্ষা, একটি উদাহরণ।

দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার পর সন্ধ্যায় ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশের হিস্যা আদায়ের আলোচনার সম্পর্কে জানতে চান মির্জা ফখরুল।  

তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি এখনো না হওয়ায় সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করেছিল তখন তারা বলেছিল যে, এখন এটা শুধু সময়ের ব্যাপার যে আমরা তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি করতে পারব। অথচ দীর্ঘ নয় বছর হয়ে গেল এখন পর্যন্ত তিস্তা নদীর এক ফোঁটা পানির ব্যাপারেও কোনো চুক্তি হয়নি। শুধু তিস্তা নয়, অভিন্ন যে ১৫৮টি নদী রয়েছে সেই নদীগুলোর হিস্যার ব্যাপারে কোনো চুক্তি হয়নি। অথচ দেখা যাচ্ছে যে, সামরিক চুক্তি হচ্ছে। সীমান্তে যে মানুষদের হত্যা করা হয় সেটাকে বাদ দিয়ে ট্রানজিট হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন বন্দর নির্মিত হচ্ছে ‘

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির পক্ষে তারাও। তবে একইসঙ্গে তার বিনিময়ে আমরা কী পাচ্ছি সেটাও জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। আমরা বার বার বলছি, এভাবে জনগণকে বোকা বানিয়ে, জনগণের সাথে প্রতারণা করে আপনারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাচ্ছেন।’