• শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৬ সফর ১৪৩৯
BK

দ্রুত ওজন কমাতে সবজির জুস

দ্রুত ওজন কমাতে সবজির জুস
সংরক্ষিত ছবি

ওজন কমানোর কথা মাথা এলেই আমরা আমরা প্রথমে ডায়েট আর এক্সারসাইজের কথা ভাবি। কিন্তু, প্রতিদিন স্ট্রেস ও কাজের চাপে রুটিন এক্সারসাইজে ভাটা পড়ে। আর রোজকার ডায়েট? সেতো কিছু দিনের মধ্যেই এলামেলো হয়ে যায়।

ডায়েট ভুলে ফের ঝুঁকে পড়ি পিৎজা, পাস্তা, মিষ্টি, চিপস ইত্যাদি খাবারের দিকে। যে কারণে, ওজন আর কমে না। তাই খাই খাই মনকে বশে এনে কিভাবে কমাবেন ওজন? ডায়েটে স্বাস্থ্যকর খাবারো থাকবে, আবার বাঙালির রসনাও পরিতৃপ্ত হবে, সেই সঙ্গে কমবে ওজন—এই তিনের সমন্বয় যদি করা যায় তাহলেই যথেষ্ট! চলুন দেখেনি অতিরিক্ত পরিশ্রম ছাড়াই বাড়িতে বসে কিভাবে কমাবেন মেদ? নিম্নে তারই কিছু ঘরোয়া টোটকা।

টমেটোর জুস: টমেটোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা ত্বকের জন্য যেমন ভাল, তেমনি পুষ্টিকর ডায়েটও। টমেটোতে ক্যালরির মাত্রা খুব কম থাকে, পাশাপাশি থাকে অ্যামাইনো অ্যাসিড লাইকোপিন যা হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন টমেটোর জুস বানিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের হাত থেকেও রেহাই মেলে। এর ফাইবার অনেকক্ষণ অবধি পেট ভর্তি রাখে, ফলে বারে বারে খাওয়ার প্রবণতা কমে। নিউট্রিশনিস্টদের মতে টমেটোর কারনিটিন ৩০ শতাংশ অবধি ফ্যাট বার্ন করতে সাহায্য করে।

যেভাবে বানাবেন টমেটোর জুস

টমেটো ভালভাবে পেস্ট করে নিন। দু’কাপ জলে লেবুর রস, লবন আর টমেটোর পেস্ট মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ভাল করে মিক্স করে নিন। প্রতিদিন নিয়ম করে এই জুস খান। অল্প সময়েই তফাৎটা বুঝতে পারবেন।

লাউয়ের জুস: লাউয়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা শুধু হজম শক্তি বাড়ায় না, পেটের যাবতীয় রোগ নির্মূল করতেও সাহায্য করে। গরমের সময় নিয়মিত ডায়েটে লাউ রাখলে ডিহাইড্রেশনের হাত থেকে রেহাই মেলে। ভিটামিন এ, সি, কে-র পাশাপাশি লাউতে থাকে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম, ক্যাসলসিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক ও ম্যাগনেসিয়াম যা শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, কোলেস্টেরল দূর করে।

যেভাবে বানাবেন লাউয়ের জুস

লাউয়ের খোসা ছাড়িয়ে ভিতর থেকে বীজগুলো বের করে নিন। এবার মিক্সারে ছোট ছোট টুকরো করা লাউয়ের সঙ্গে অল্প আমলা, আদা, মিন্ট পাতা, লবন ও জিড়া গুঁড়া মিশিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার ওই মিশ্রণে লেবুর রস মিশিয়ে খান। নিয়মিত খেলে মেদ ঝড়তে বাধ্য।

শশার জুস:  শশার রয়েছে বহুবিধ গুণ। এর উপকারিতা আলাদা করে বলার কিছু নেই। শশাতে ক্যালোরির পরিমাণ প্রায় নেই বললেই চলে। তাই ওবেসিটি থেকে ডায়াবিটিস, যেকোনো রোগেরই উপযুক্ত পথ্য হল শশা।

যেভাবে বানাবেন শশার জুস

শশা ভালভাবে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার মিক্সারে ছোট ছোট টুকরো দিয়ে ভালভাবে ব্লেন্ড করে নিন। এবার ওই মিশ্রণ ভাল করে ছেঁকে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে শশার জুস।