• মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫, ২৩ সফর ১৪৩৯
BK

আবারো বাড়ছে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের ব্যয়

আবারো বাড়ছে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের ব্যয়
সংরক্ষিত ছবি

পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের জন্য নতুন করে জমি অধিগ্রহণ করবে সরকার। এজন্য পদ্মা সেতু নির্মাণের ব্যয় বাড়ছে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। এ নিয়ে চার দফায় এ প্রকল্পের ব্যয় বাড়ানো হলো। গতকাল পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধিসহ মোট ১৫ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৩৭২ কোটি ২৪ লাখ টাকা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা সচিব জিয়াউল ইসলাম, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম, আইএমইডির সচিব মফিজুল ইসলাম, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য শামীমা নারগিস এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, পদ্মা সেতু প্রকল্প, ই-পাসপোর্ট চালুকরণসহ ১৫ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে একনেক। এগুলো বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ১৮ হাজার ৩৭২ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১১ হাজার ২২৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা, বাস্তবায়নকারী সংস্থার তহবিল থেকে ৫৮৮ কোটি ৪৬ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৬ হাজার ৫৫৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ প্রকল্প। পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, ‘পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পের জন্য অতিরিক্ত ১ হাজার ১৬২ দশমিক ৬৭ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণের জন্য অতিরিক্ত ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

একনেক বৈঠকে হাওর এলাকায় আগামীতে যেসব রাস্তা তৈরি করা হবে সেগুলো এলিভেটেড করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এ রকম উড়াল রাস্তা নির্মাণ করা হলে এর নিচ দিয়ে নৌকা বা সাম্পান চলতে পারবে। ওপর দিয়ে চলবে গাড়ি। তাহলে আলাদা করে ব্রিজ তৈরি করতে হবে না। এক খরচেই সব কাজ হবে। পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি জানান, বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রবর্তন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা। অনেক দেশে ই-পাসপোর্ট ছাড়া ভিসা দেয় না। এটি বাস্তবায়িত হলে এসব জটিলতা থাকবে না। তবে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট থাকবে বলে জানান মন্ত্রী। প্রকল্পটি চলতি বছর থেকে ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে সুরক্ষা সেবা বিভাগ এবং ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর।