• শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৭ সফর ১৪৩৯
BK

বিদেশে রফতানি হচ্ছে খাসিয়া পান

বিদেশে রফতানি হচ্ছে খাসিয়া পান
সংরক্ষিত ছবি

খাসিয়া উপজাতির বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হলো খাসিয়া পান। খাসিয়াদের প্রায় ৯৯ ভাগ খাসিয়া পান চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে। এই পানই খাসিয়াদের প্রাণ। খাসিয়াদের উৎপাদিত পান বিদেশেও রফতানি হয়ে থাকে। খাসিয়া পান স্বাদে একটু ঝাল এবং আকারে বড়। পান গাছের চারা রোপণের এক বছরের মাথায় কমবেশি পান উত্তোলন করা যায়। তবে তিন থেকে চার বছর হওয়ার পর পর্যাপ্ত পরিমাণ পান উত্তোলন করা সম্ভব হয়। জানা যায়, ১৯৫৫ সালে খানলাও পটাম খাসিয়া নামক এক ব্যক্তি বাহুবল উপজেলার আলিয়াছড়ায় ৫৯০ একর পাহাড়ি ভূমির ওপর খাসিয়াপুঞ্জি গড়ে তোলেন। বর্তমানে এ পুঞ্জিতে প্রায় ১৫০টি পরিবার বসবাস করছে। সদস্য সংখ্যা প্রায় ৭০০ জন। এ ছাড়া ১৯৫০ সালে চুনারুঘাট উপজেলার সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকার ৩০০ একর পাহাড়ি ভূমির ওপর বৈরাগীপুঞ্জি গড়ে ওঠে। বর্তমানে এ পুঞ্জিতে প্রায় ৬৫টি পরিবার বসবাস করছে। তাদের সদস্য সংখ্যা হবে প্রায় ৪০০। এখানে বসবাসকারী বেশিরভাগ খাসিয়ার পেশা পান চাষ।  ইংল্যান্ড প্রবাসী সিলেটিদের কাছে খাসিয়া পানের কদর বেশি। এ ছাড়াও আমেরিকা, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে খাসিয়া পান রফতানি হচ্ছে। আলিয়াছড়া পুঞ্জির মন্ত্রী উটিয়ান টংপেয়ার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা নিজস্ব পদ্ধতিতে পান চাষ করে আসছি। যদিও প্রায় বছরখানেক সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়ার সহযোগিতায় ৩০ পানচাষিকে সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকেই আমরা পান চাষে কৃষি বিভাগের সহযোগিতা পেয়ে আসছি।  এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ আলী বলেন, পান চাষের জন্য আমরা তাদের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা দিয়ে আসছি।