• শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪, ১১ মহররম ১৪৪০
BK

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় জেন্ডার সমতা অর্জন সম্ভব হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

ছবি পিআইডি

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় জেন্ডার সমতা অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে নারী শিক্ষার অগ্রগতির মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন একটি বড় সাফল্য। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় জেন্ডার সমতা অর্জন সম্ভব হয়েছে। মাধ্যমিক শিক্ষায় বিরাট অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শতকরা ৪৩ ভাগ শিক্ষার্থী নারী। কারিগরি শিক্ষায় ১৫ ভাগ যুক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকায় শেরেবাংলা নগরে এসডিজি বাস্তবায়ন পর্যালোচনা বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনের যুগপৎ সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখ করার মতো অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। গত নয় বছরে সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ উন্মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। সব শিশু এখন বিদ্যালয়ে আসছে।

তিনি বলেন, কিছু সীমাবদ্ধতা ও ব্যর্থতা সত্ত্বেও শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নও হয়েছে। তবে শিক্ষার মান আরো উন্নত করতে হবে, যাতে আমাদের নতুন প্রজন্ম বিশ্বে নিজেদের স্থান করে নিতে পারে। সারাবিশ্বেই শিক্ষার মান উন্নয়নে চেষ্টা চলছে।

সম্মেলনে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের এসডিজি বিষয়ক কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আসিফ-উজ-জামান, সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব নাছির উদ্দিন এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম। এছাড়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উপস্থাপনা তুলে ধরেন এনজিও ও উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরা।

শিক্ষা বিষয়ক এই সেশনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এসডিজি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

সেশনে মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী। আলোচনায় অংশ নেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সচিব এসএম গোলাম ফারুক।