• শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪, ১১ মহররম ১৪৪০
BK

সরকারের সাড়া নেই নন-এমপিও শিক্ষকদের অনশনে

সরকারের সাড়া নেই নন-এমপিও শিক্ষকদের অনশনে
ছবি : বাংলাদেশের খবর

নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের আমরণ অনশন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। গতকাল অনশনের ১৩তম দিনে এসে নতুন করে তিনজন শিক্ষকের জ্বর এসেছে। আর দুজন শিক্ষক ভুগছেন আমাশয় রোগে। তবু তারা চিকিৎসা না নিয়ে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। অবশ্য এর আগে প্রায় ২০০ শিক্ষক অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নিলেও গত বৃহস্পতিবার থেকে অসুস্থ হওয়া শিক্ষকরা চিকিৎসা নিচ্ছেন না। এজন্য শিক্ষকদের শারীরিক অবস্থা ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। তবু সরকার সাড়া দিচ্ছে না। শিক্ষকদের অনশন ভাঙানোর জন্য কোনো উদ্যোগও দেখা যাচ্ছে না। 

সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় বলেছেন, অনশনে ৩ জন শিক্ষকের জ্বর ও ২ জন শিক্ষকের আমাশয় হয়েছে। আরো বহু শিক্ষক দুর্বল হয়ে পড়েছেন। এরকম পরিস্থিতিতেও শিক্ষকরা সঙ্কল্প ব্যক্ত করে বলেছেন, মরতে হয় মরব তবুও আর হাসপাতালে যাব না, স্যালাইনও নেব না।

অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার বলেন, আমরা গত ১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চেয়ে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য দুটি চিঠি দিয়েছি। সকল নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওর আওতায় এনে আংশিক বেতন চালু ও পরবর্তী অর্থবছরে বেতনের সমন্বয়সাধন করা এবং দীর্ঘ ১৫-২০ বছর এমপিওভুক্ত না হওয়া দুর্বল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সক্ষমতা যাচাই করার উদ্দেশ্যে এমপিওভুক্তির পর ৩ বছর সময় দেওয়া। এই সময়ের মধ্যে সক্ষমতা অর্জনে ব্যর্থ হলে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তিনি বলেন, স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য একমাত্র নীতি হবে প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক স্বীকৃতি। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য বর্তমানে ৫ হাজার ২৪২টি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও আগের নীতিতেই এমপিওভুক্ত করতে হবে। এটি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আমরণ অনশন চলবে।

এদিকে অনশনের ১৩তম দিনে গতকাল শনিবার সংহতি জানিয়ে বক্তব্য  দেন জাতীয় সংসদের রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা। তিনি বলেন, আপনাদের দাবি যৌক্তিক, ন্যায্য ও মানবিক। অতীতেও আপনাদের সঙ্গে ছিলাম বর্তমানেও আছি ভবিষ্যতেও থাকব এবং সুযোগ পেলে জাতীয় সংসদে আপনাদের বিষয়ে জোরালো ভূমিকা রাখব। অনশনে আরো সংহতি জানান ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য ড. সুশান্ত কুমার।