• শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪, ১১ মহররম ১৪৪০
BK

‘সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি’

ছবি সংরক্ষিত

সড়ক দুর্ঘটনা সম্পর্কে যাত্রী কল্যাণ সমিতি মনগড়া রিপোর্ট প্রকাশ করে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেছেন সড়ক ও পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পরিসংখ্যান নিয়ে যাত্রী কল্যাণ সমিতি নামে একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন সংগঠন ভুয়া রিপোর্ট উপস্থাপন করে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করছে।’

আজ মঙ্গলবার সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য সেলিম উদ্দিনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের মধ্যে এগিয়ে এটা সত্য নয়। সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করে এমন একজন লোক যাত্রী কল্যাণ সমিতি নামক সংগঠনের নেতৃত্ব দেয়। সময়ে সময়ে মতলবি মহল তাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় এবং সমাজের বিশিষ্টজনরাও ওই লোকটির সংবাদ সম্মেলনে মাঝেমধ্যে হাজির হন।’

তিনি বলেন, সদ্য শেষ হওয়া ঈদে পুলিশ এবং সংবাদপত্রে রিপোর্টে যেখানে ৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে তারা মনগড়া তথ্য দাঁড় করিয়েছে যে, ৩৩৯ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এগুলো মনগড়া রিপোর্ট। মনগড়া রিপোর্ট দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা মোটেই উচিত না। তাই এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকা দরকার।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা শুধু রাস্তার জন্যই হয়, ব্যাপারটা এমন নয়। এখানে রাস্তায় ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ব্যাপার রয়েছে, সচেতনতারও ব্যাপার রয়েছে। শুধু বেপরোয়া ড্রাইভার ও রাস্তা দায়ী নয়। বেপরোয়া পথচারীরাও অনেক সময় সড়ক দুর্ঘটনার কারণ।

নিজের অভিজ্ঞতার বর্ণনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি কিছুক্ষণ আগে যখন রাস্তা দিয়ে আসছিলাম। দুটি পয়েন্টে দেখতে পেলাম যে, হঠাৎ করে এক ঝাঁক তরুণ রাস্তায় নেমেছে, গাড়িও চলছে। ওই সময় যদি কেউ গাড়ির তলায় পিষ্ট হয়, কাকে দায়ী করবেন? তারপর দেখলাম একটা মেয়ে রাস্তা পার হচ্ছে মোবাইলে কথা বলতে বলতে। চলমান গাড়ি অনেক কষ্টে থামাতে হলো। সে অবস্থায় চলমান গাড়ি যদি তাকে চাপা দেয়, সেটার জন্য কে দায়ী হবে?’

তিনি বলেন, ‘অনেক সময় যাত্রীরা আনন্দে বাসের জানালা দিয়ে হাত প্রসারিত করেন। তখন আরেকটা গাড়ি এসে হাতটা নিয়ে গেল, এখানে কে দায়ী? এখানে শুধু বেপরোয়া ড্রাইভার দায়ী নয়, শুধু রাস্তাও দায়ী না। বেপরোয়া পথচারীও অনেক সময় দুর্ঘটনার কারণ।’