• বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫, ১৫ মহররম ১৪৪০
BK
কুমিল্লায় কর্নেল অলির গাড়ি ভাঙচুর

আ. লীগ-ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আ. লীগ-ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ
সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লার চান্দিনায় লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদের গাড়ি ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বৃহস্পতিবার চান্দিনা থানার ৩০০ গজের মধ্যে চান্দিনা পাইলট স্কুল খেলার মাঠ সংলগ্ন সড়কে এ ঘটনা ঘটে। চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাস-২-এ নবনির্মিত মমতাজ আহমেদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিতে যাওয়ার পথে দুষ্কৃতকারীরা তার গাড়িতে হামলা চালিয়ে ইটপাটকেল ছোড়ে। এতে তাকে বহনকারী পাজেরো গাড়ির (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৩-৪৬৪৬) পেছনের গ্লাস ভেঙে যায়। তবে অলি আহমদ অক্ষত রয়েছেন। এ হামলার জন্য আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন এলডিপির নেতারা।

এদিকে অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতি বিষোদগার করেন এলডিপির সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে ওই হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, পুলিশের সামনে মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসীরা হামলা করবে- এ জন্য এ দেশকে স্বাধীন করিনি। আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি, আওয়ামী লীগকে ধন্যবাদ জানাই, যার কর্মীরা মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করতে চায়! পুলিশ ও ইউএনও অফিসের পাশে, আগে-পেছনে একাধিক পুলিশ অফিসার, এমনকি ওসির উপস্থিতিতে এ ধরনের হামলা আমি কল্পনাও করতে পারি না।

বিকালে চান্দিনা পৌর এলডিপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন বন্ধ করে দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন- ‘রাজনৈতিক দলের সভা, সমাবেশের জন্য ইউএনও, ওসির অনুমতি নিতে হবে কেন? এটা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। হামলার প্রসঙ্গ টেনে ঘটনার সময় চান্দিনা থানার ওসির নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কলেজের আজীবন দাতা সদস্য মিসেস মমতাজ আহমেদ, পরিচালনা পর্ষদ সদস্য সুলতান মঈন আহমেদ রবীন।

এ ব্যাপারে মতামত জানতে চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

চান্দিনা থানার ওসি মোহাম্মদ সামছুল ইসলাম জানান, কর্নেল অলি আহমদের গাড়িবহরে হামলা বা ভাঙচুরের কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে শুনেছি রেদোয়ান আহমেদ কলেজে যাওয়ার সময় কে বা কারা পেছন থেকে ঢিল মেরেছে। এতে গাড়ির একটি গ্লাস ভেঙে গেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।