• বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪, ৮ মহররম ১৪৪০
BK

এমএনপি সেবায় গ্রাহকের সুবিধা ও খুঁটিনাটি তথ্য

এমএনপি সেবায় গ্রাহকের সুবিধা ও খুঁটিনাটি তথ্য

খুব শিগগিরই বাংলাদেশে চালু হতে যাচ্ছে মোবাইল নাম্বার অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর বদল বা মোবাইল নাম্বার পোর্টেবলিটি (এমএনপি) সেবা। এই সেবার মাধ্যমে ব্যবহারকারী মোবাইল নম্বরের পূর্ণ মালিকানা পাবেন। বিটিআরসি’র নির্দেশনা অনুযায়ী সব ধরনের কার্যক্রম শেষ করতে পারলে এ মাসেই চালু হতে পারে এ সেবা। মূলত ভয়েস কল ও ইন্টারনেটের উচ্চমূল্য, দুর্বল নেটওয়ার্ক কাভারেজ, নেটওয়ার্ক সমস্যা, মোবাইল ফোনের সংযোগে ঘন ঘন কলড্রপ, ভয়েস কলের নিম্নমান ও গ্রাহকসেবার অসন্তুষ্টি দূর করবে এই এমএনপি সেবা।

চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক কেমন সুবিধা পেতে পারেন গ্রাহকরা আর কীভাবে সম্পন্ন হবে অপারেটর পরিবর্তনের প্রক্রিয়া।

-এমএনপি সেবা চালু হওয়ার গ্রাহকরা যেসব সুবিধা পাবেন

*          সেবাটি নিতে হলে একজন গ্রাহককে প্রতিবার ৩০ টাকা ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে।

*          প্রতিবার অপারেটর বদলে গ্রাহক পাবেন নতুন সিম।

*          গ্রাহক আবেদন করার পর সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তা চালু হয়ে যাবে।

*          আগের অপারেটরে ফিরতে হলে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি দিয়ে গ্রাহককে অপেক্ষা করতে হবে ৯০ দিন।

*          এমএনপি চাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সব মোবাইল অপারেটরের মধ্যে একটি অভিন্ন কলরেট থাকবে। সব কলের সর্বনিম্ন সীমা হচ্ছে ৫০ পয়সা, যার সর্বোচ্চ সীমা দেড় টাকা নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

*          যদিও গ্রাহককে প্রতিবার অপারেটর বদলের জন্য রিসিপিয়েন্ট অপারেটরকে (গ্রাহক যে অপারেটরের সেবা নিতে আগ্রহী) পোর্টিং চার্জ হিসেবে গ্রাহকপ্রতি ১৫০-১৮০ টাকা দিতে হবে এমএনপি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে (এমএনপিএস)।

যেভাবে সম্পন্ন হবে নম্বর পরিবর্তনের প্রক্রিয়া : গ্রাহককে রিসিপিয়েন্ট অপারেটরের গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে আবেদন করতে হবে। তারা গ্রাহকের বর্তমান অপারেটরের দেওয়া নম্বরটির নিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের পরিচয়পত্রের বিপরীতে নিবন্ধনকৃত সিম সংখ্যা যাচাই করে দেখবে। এরপর নম্বর পরিবর্তনের জন্য এমএনপিএস অনুরোধ করবে রিসিপিয়েন্ট অপারেটরকে। ডোনার অপারেটরের কাছে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের দেনা-পাওনা বিষয়ক তথ্য নেবে এমএনপিএস। ডোনার অপারেটর সম্মতি দিলে রিসিপিয়েন্টের কাছে নম্বর পরিবর্তনের বিষয়ে ইতিবাচক নির্দেশনা দেওয়া হবে। এরপর এমএনপিএসের অনুরোধে করবে ডোনার নম্বরটি ডিঅ্যাক্টিভেট করলে রিসিপিয়েন্ট অপারেটরের কাছে তা সক্রিয় করার অনুরোধ যাবে। পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ৪-৫ মিনিট সময় লাগতে পারে।