• বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫, ১৫ মহররম ১৪৪০
BK

নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ কিনতে সমঝোতা সই বাংলাদেশের

নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ কিনতে সমঝোতা সই বাংলাদেশের
ছবি : পিআইডি

বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা বাড়াতে নেপালের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্য দিয়ে নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির প্রক্রিয়া আরো দ্রুত হবে, এমনটাই আশা করছে সরকার।

জলবিদ্যুৎ আমদানি ছাড়াও নেপালের বিদ্যুৎখাতে বাংলাদেশের সরকারি বা বেসরকারি কোম্পানির বিনিয়োগের বিষয়গুলো এই সমঝোতার আওতায় রয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে কাঠমান্ডুতে এক অনুষ্ঠানে এই সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং নেপালের জ্বালানি, পানি ও সেচমন্ত্রী বর্ষা মান পুন।

এর আওতায়, দুই দেশের বিদ্যুৎ সচিব পর্যায়ে একটি যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি এবং যুগ্ম-সচিব পর্যায়ের একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হবে। তারা প্রতিবছর বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবে।

নেপালের জ্বালানি, পানি ও সেচ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, স্মারকটি সাধারণ কিন্তু দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতার জন্য সুদূরপ্রসারী। এতে বিদ্যুতের দ্বিপাক্ষিক গ্রিড সংযোগ, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং আদান-প্রদানের বিষয়েও বলা হয়েছে।

এখন উভয় দেশ জাতীয় বিদ্যুৎ উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে পারবে। বাংলাদেশের কাছে নেপালের বিদ্যুৎ বিক্রি করার কথাও বলা হয়েছে।

নেপালি গণমাধ্যম স্পটলাইট নেপালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে দেশটির জ্বালানি, পানি ও সেচ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিটিও সংযুক্ত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে নসরুল হামিদ সাংবাদিকদের বলেন, অনেক অপেক্ষার পর এই চুক্তি হল। আমরা অল্প পয়সায় বিদ্যুৎ পাব। আগামী ১০ বছরের মধ্যে পাঁচ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা আছে আমাদের।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার নেপালে পৌঁছানোর পর শুক্রবার সকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন নসরুল হামিদ। এরপর জ্বালানি মন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত ও দ্বি-পক্ষীয় বৈঠকের পর সমঝোতা স্মারক সই হয়।