• শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৭ সফর ১৪৩৯
BK

কোস্টগার্ডের জাহাজ কিনতে ২১১ কোটি টাকা দিচ্ছে জাপান

কোস্টগার্ডের জাহাজ কিনতে ২১১ কোটি টাকা দিচ্ছে জাপান
ছবি: পিআইডি

উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করতে ২৪টি উদ্ধারকারী বোট ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি কেনা হবে। এসব উপকরণ কিনতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডকে ২৭২ কোটি ৯০ লাখ ইয়েন অনুদান দিচ্ছে জাপান সরকার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২১১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে চুক্তি করেছে জাপানের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা (জাইকা)। গতকাল সোমবার রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আযম ও জাইকার ঢাকা অফিসের প্রধান প্রতিনিধি হিতোসি হাইরাতা অনুদান চুক্তিতে সই করেন। বিনিময় নোটে সই করেন ইআরডির সচিব ও জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোয়িসু ইযুমি।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাপানের সহায়তা নিয়ে দ্য প্রজেক্ট ফর ইমপ্রুভমেন্ট অব রেসকিউ ক্যাপাসিটিজ ইন দ্য কোস্টাল অ্যান্ড ইনল্যান্ড ওয়াটারস শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মশিউর রহমান, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের উপমহাপরিচালক কমোডর বশীর উদ্দিন আহমেদ, পরিচালক ক্যাপ্টেম এম মামুনুর রশীদ, ক্যাপ্টেন এম নূরুল ইসলাম শরিফ এবং প্রকল্প পরিচালক কমান্ডার এটিএম রেজাউল হাসান ছাড়াও জাইকা, কোস্টগার্ড ও ইআরডির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি অনুষ্ঠানে কাজী শফিকুল আযম বলেন, সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও মেট্রোরেল প্রকল্পে বড় ধরনের সহায়তা দিচ্ছে জাপান। দেশটি বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। ১৮০ কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে দেশটি। চলতি অর্থবছরে এর পরিমাণ ২০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

তিনি বলেন, যেকোনো প্রকল্প বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সরকার এ বিষয়ে জোর দিচ্ছে। প্রকল্পের গতি আনতে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অব্যাহত রাখা হয়েছে। ফলে গত অর্থবছর  বৈদেশিক প্রতিশ্রুতি আদায় ও অর্থছাড়ে রেকর্ড হয়েছে।

হিরোয়িসু ইযুমি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে অংশীদার হতে পেরে জাপান গর্বিত।  উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষায় কোস্টগার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাছাড়া দুর্যোগকালীন সময়ে জননিপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে কোস্টগার্ড। তাই কোস্টগার্ডকে শক্তিশালী করতে অনুদান দেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রকল্পের আওতায় আধুনিক সুবিধা সংবলিত ৪টি ২০ মিটার বোট, ২০টি ১০ মিটার বোট এবং ৪ সেট পোর্টেবল মেরিন ওয়েল পলিউশান কন্ট্রোল যন্ত্রপাতি কেনা হবে। এসব যন্ত্রপাতি ৩ বছরের মধ্যে কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হবে।