• মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪, ১৪ মহররম ১৪৪০
BK

আবাসিক এলাকায় আইটি কোম্পানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার দাবি

আবাসিক এলাকায় আইটি কোম্পানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার দাবি
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, ধানমন্ডি, মিরপুর ও উত্তরা এলাকায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে অনেক আইটি কোম্পানি। তবে আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানকে মাঝে মাঝে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) উচ্ছেদ অভিযানের কবলে পড়তে হয়। প্রয়োজনীয় সংখ্যক সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক (এসটিপি) স্থাপন না করা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা থেকে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। গতকাল বেসিস মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, সম্প্রতি উত্তরায় সলিউশন নাইন নামের একটি আইটি কোম্পানির অফিস তালাবদ্ধ করে দিয়েছে রাজউক। কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়ায় তাদের ব্যবসা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এর আগেও একই কারণ দেখিয়ে উত্তরার আরো একটি আইটি কোম্পানির অফিস বন্ধ করেছে রাজউক। এর মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ হুমকির মধ্যে পড়ছে বলেও মনে করেন তিনি।

প্রযুক্তি খাতের অন্যতম এই উদ্যোক্তা জানান, সরকার দেশব্যাপী ২৮টি হাইটেক পার্ক এবং সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং আরো কয়েকটি পার্কের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। এসব পার্কের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে এবং ঢাকায় প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক থাকলে আইটি ও আইটিএস কোম্পানিগুলোকে আবাসিক এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে না। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে আইটি কোম্পানিগুলোর কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করার দাবি জানান আলমাস কবীর।

বেসিসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এক হাজারের বেশি সদস্য কোম্পানি রয়েছে সংগঠনটির। এর মধ্যে প্রায় আট শতাধিক প্রতিষ্ঠানই ঢাকার বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে বিপুলসংখ্যক মানুষ।

এ ছাড়া এ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের পরিমাণও ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। গত অর্থবছরে আইটি এবং আইটিএস খাত থেকে তাদের আয়ের পরিমাণ প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার।