• বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫, ২৪ সফর ১৪৩৯
BK

হাতিয়ার ইলিশে চাঁদপুরের মৎস্য আড়ৎ সরগরম

হাতিয়ার ইলিশে চাঁদপুরের মৎস্য আড়ৎ সরগরম
ছবি : বাংলাদেশের খবর

গত কয়েকদিন চাঁদপুর মৎস্য আড়তে হাতিয়া থেকে বড় সাইজের ইলিশ আমদানি শুরু হয়েছে। আর এতে করে সরগরম হয়ে উঠেছে ইলিশের রাজধানী নামে খ্যাত মৎস্য আড়ৎ। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পাইকারী ও খুচরা বিক্রি হচ্ছে প্রায় শতাধিক ছোট বড় আড়তে। ঈদুল আযহার বন্ধের পরে মাছঘাটে কর্মরত শ্রমিকরা অবসর থাকলেও এখন মৎস্য প্যাকেজিং আর হাক ডাক নিয়ে খুবই ব্যস্ত।

বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চাঁদপুর মৎস্য আড়ৎগুলো ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

পাইকারী ও খুচরা ইলিশ বিক্রেতা আজিজুর রহমান মজুমদার জানান, গত কয়েকদিন কম-বেশী ইলিশ আমদানি শুরু হয়েছে। তবে বেশীরভাগ ইলিশই আসছে হাতিয়া থেকে। নদী ও সড়ক পথে ট্রাকে করে এসব ইলিশ চাঁদপুর মাছঘাটে আনা হচ্ছে। পরে এসব ইলিশ দাম হাকিয়ে পাইকারী বিক্রি হচ্ছে।

মেসার্স মিজানুর রহমান ভুইয়া আড়তের ম্যানেজার ফারুক হোসেন জানান, ঈদের পর গত মঙ্গলবার সবচাইতে বেশী ইলিশ আমদানি হয়েছে। মাছঘাটের ছোট বড় প্রায় ১শ’ আড়তে গড়ে ১শ’ মন করে ইলিশ বিক্রি হয়েছে। বুধবারও ইলিশ আমদানি হয়েছে। তবে পরিমানে কম হবে।

আরেক ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদীন জানান, হাতিয়া থেকে যে বড় ইলিশ আসছে সেগুলো ১ কেজি বা তার উপরের সাইজের ইলিশ প্রতি মন ৫০-৫৫ হাজার টাকা। ৭-৮শ’ গ্রাম ওজনের প্রতি মন ৩১-৩৫ হাজার টাক। ৪শ’ ৫শ’ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি মন ২০-২২ হাজার টাকা।

তিনি আরো জানান, চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর যে সব ইলিশ আসছে এগুলো সাইজে ছোট। আর বড় সাইজের ইলিশ আসলেও তা দাম বেশী। স্থানীয় ইলিশ ১ কেজি কমপক্ষে ১৩শ’ থেকে ১৪শ’ টাকা। আর নদীতে অন্য মাছের আমদানি নেই বললেই চলে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুল বাকী জানান, গত কয়েকদিন পদ্মা-মেঘনাসহ দক্ষিণাঞ্চলে কিছু ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে। ইলিশের আমদানি অব্যাহত থাকলে দামও কমতে পারে।